Advertisement

Motiur Rahman: '১৫ বছর লুট করে এখন তদন্তের ভয়ে রংবদল,' বিস্ফোরক TMC MLA

'তৃণমূলের দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক দুর্নীতিগ্রস্ত,' বিস্ফোরক দাবি হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিউর রহমানের। তাঁর অভিযোগ, ১৫ বছরে লুটপাট করে ‘নতুন তৃণমূল’ তৈরি হয়েছে।

তাঁর অভিযোগ, ১৫ বছরে লুটপাট করে ‘নতুন তৃণমূল’ তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ১৫ বছরে লুটপাট করে ‘নতুন তৃণমূল’ তৈরি হয়েছে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 05 Jun 2026,
  • अपडेटेड 6:22 PM IST
  • 'প্রতি ৩ জনের MLA র মধ্যে ২ জনই দুর্নীতিগ্রস্ত'।
  • বিস্ফোরক মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মহম্মদ মতিউর রহমান।
  • দলের অন্দরেই একটি ‘নতুন তৃণমূল’ তৈরি হয়েছে।' 

TMC MLA Motiur Rahman: 'প্রতি ৩ জনের MLA র মধ্যে ২ জনই দুর্নীতিগ্রস্ত'। বিস্ফোরক মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মহম্মদ মতিউর রহমান। তাঁর দাবি, 'তৃণমূল কংগ্রেসের দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। গত ১৫ বছরে এলাকার মানুষকে শোষণ করে ব্যাপক লুটপাট ও দুর্নীতি হয়েছে। আর তাই দিয়ে দলের অন্দরেই একটি ‘নতুন তৃণমূল’ তৈরি হয়েছে।' 

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন মতিউর। সেখানেই এই দাবি করেন। বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে নেতাদের একাংশ নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করেছেন। দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে রাজনৈতিক ক্ষমতাকে কাজে লাগানো হয়েছে।'

TMC বিধায়কের বক্তব্য, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে লুটপাট চলেছে। এখন তদন্তের মুখে পড়বেন, সেই ভয় পেয়ে অনেকে নিজেদের অবস্থান বদলাতে শুরু করেছেন।' 

একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধেও সরব হন। তাঁর দাবি, প্রায় ৬০ জন বিধায়কের একটি আলাদা গ্রুপ রয়েছে। মালদা জেলার ছয়জনের মধ্যে চারজন TMC বিধায়কই ওই শিবিরে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।

মতিউরের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র অস্বস্তি তৈরি হয়েছে TMC র অন্দরমহলে। সুজাপুরের তৃণমূল বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন প্রকাশ্যেই মতিউরের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।  

মতিউর তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে মমতার পাশে থাকার বার্তা দেন। দলের আদর্শ এবং নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখার আর্জি করেন।

গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে আপাতত রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে। আসরে নেমেছে গেরুয়া শিবিরও। বিজেপি নেতা ওমপ্রকাশ ঘোষ বলেন, 'তৃণমূল নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে ভবিষ্যতে দলের পতাকা টাঙানোর লোকও খুঁজে পাওয়া যাবে না।'

Read more!
Advertisement
Advertisement