Advertisement

হঠাত্‍ TMC-র সব সাংগঠনিক পদ ছাড়লেন, TMC-র কাকলির গতিবিধি কী?

ভোটে বিপর্যয়ের পর থেকেই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছিলেন কাকলি। বারাসাত জেলা সভাপতির পদ ছাড়ার পাশাপাশি তিনি সরাসরি দলের অন্দরমহলের দুর্নীতি, নেতাদের ‘অহমিকা’ এবং সাংগঠনিক ব্যর্থতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, 'সর্বস্তরে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি' এবং 'দুর্বৃত্তায়ন' দলের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা বৈঠকে যোগ দিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারশুভেন্দু অধিকারীর ডাকা বৈঠকে যোগ দিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 27 May 2026,
  • अपडेटेड 2:40 PM IST
  • বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অস্বস্তি আরও বাড়ালেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
  • বুধবার দলীয় রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিকে চিঠি দিয়ে তিনি দলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানান।

বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অস্বস্তি আরও বাড়ালেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বুধবার দলীয় রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিকে চিঠি দিয়ে তিনি দলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানান। তবে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য এবং সাংসদ পদে বহাল রয়েছেন। একইসঙ্গে তৃণমূলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক কমিটি থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

ভোটে বিপর্যয়ের পর থেকেই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছিলেন কাকলি। বারাসাত জেলা সভাপতির পদ ছাড়ার পাশাপাশি তিনি সরাসরি দলের অন্দরমহলের দুর্নীতি, নেতাদের ‘অহমিকা’ এবং সাংগঠনিক ব্যর্থতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, 'সর্বস্তরে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি' এবং 'দুর্বৃত্তায়ন' দলের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

পদত্যাগপত্রে নাম না করলেও কার্যত আই-প্যাককেই কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। কাকলির অভিযোগ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও আই-প্যাকের অল্পবয়সি কর্মীরা প্রবীণ নেতাদের নির্দেশ দিতেন এবং কর্মীদেরও হেনস্থা করতেন। তাঁর কথায়, '৪০ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পর ২২ বছরের ছেলেমেয়েরা কীভাবে রাজনীতি করতে হবে তা শেখাচ্ছিল।'

সাংবাদিক বৈঠকে তিনি আরও বলেন, 'এই ভুঁইফোড় সংস্থার ভুল কৌশলই নির্বাচনী বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ।' যদিও আই-প্যাককে দলে আনার সিদ্ধান্ত কার ছিল, সে বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি তিনি।

একইসঙ্গে দলের নেতাদের ‘বৈভব’ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ার অভিযোগও তুলেছেন কাকলি। তাঁর মতে, মধ্যবিত্ত ভোটাররা এই ধরনের আচরণ মেনে নেয়নি। ফলে নির্বাচনে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

সম্প্রতি তাঁকে লোকসভার মুখ্য সচেতকের পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই দায়িত্ব ফের দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এরপর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে কাকলিকে নিয়ে জল্পনা বাড়ছিল।

এদিকে, তাঁকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয় নিয়েও রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। কাকলির দাবি, তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণেই তিনি কেন্দ্রীয় সুরক্ষা পেয়েছেন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement