Advertisement

TMC MP Kalyan Banerjee: 'মসজিদ থেকে মাইক খুলছে', কী করতে চলেছেন কল্যাণ?

মসজিদ থেকে মাইক খোলার ঘটনায় সরকারকে আক্রমণে মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মনে করেন, কোনও বিজ্ঞপ্তি বা লিখিত আদেশ ছাড়া সরকার লাউডস্পিকার খুলতে পারে না। এরপর কী করবেন তিনি?

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 Aug 2026,
  • अपडेटेड 1:09 PM IST
  • মসজিদ থেকে মাইক খোলার ঘটনায় সরকারকে আক্রমণে মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  • কোনও বিজ্ঞপ্তি বা লিখিত আদেশ ছাড়া সরকার লাউডস্পিকার খুলতে পারে না
  • এরপর কী করবেন তিনি?

মসজিদ থেকে মাইক খোলার ঘটনায় ফের সরব হলেন মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এভাবে কোনও বিজ্ঞপ্তি বা লিখিত আদেশ ছাড়া সরকার লাউডস্পিকার খুলতে পারে না বলে মনে করেন তিনি। তাই এহেন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে যে তিনি ইতিমধ্যেই পিটিশন দায়ের করেছেন, সেটাও জানিয়েছেন। 

এই প্রসঙ্গে কল্যাণ বলেন, 'মসজিদ থেকে লাউডস্পিকার খুলে ফেলার জন্য পুলিশের যে পদক্ষেপ, তার বিরুদ্ধে আমরা একটি পিটিশন দাখিল করেছি। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের একটি রায় রয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট ডেসিবেল মাত্রা কঠোরভাবে মেনে চলার শর্তে আজানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।'

এরপর বিজেপি শাসিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন তিনি। কল্যাণ বলেন, 'এখন রাজ্য সরকার পুলিশের মাধ্যমে কোনও সরকারি নির্দেশ, জনসাধারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি বা লিখিত আদেশ জারি না করেই মসজিদ থেকে মাইক খুলে দিচ্ছে।' তাই 'অনুচিত' কাজের বিরুদ্ধে তিনি আদালতে লড়াই শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন। 

মাথায় রাখতে হবে, ইতিমধ্যেই মসজিদ থেকে মাইক সরানোর অভিযান শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেই মতো অ্যাকশন মোডে রয়েছে পুলিশ। তারা মসজিদে গিয়ে মাইক খোলার কাজ শুরু করে দিয়েছে। তবে এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধেই এবার মামলা হল কলকাতা হাইকোর্টে। আর রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত সেই মামলা গ্রহণ করেছে। এরপর হবে শুনানি।

যতদূর খবর, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই অভিযানের বিরুদ্ধে আবেদনকারী দানিশ ফারুকি হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন। তাঁর হয়ে সেখানে লড়াই করছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মসজিদ থেকে লাউডস্পিকার সরানোর কাজ আদৌ বৈধ কি না, সেটাকেই চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে ওই আবেদনে। 

মামলাকারীর দাবি, কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি বা লিখিত নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। তার আগেই পুলিশকে দিয়ে মাইক খোলানোর কাজ হচ্ছে। শুধুমাত্র ‘মৌখিক নির্দেশ’-এর মাধ্যমেই চলছে গোটা প্রক্রিয়া। আবেদনকারীর বক্তব্য, এই প্রক্রিয়া অসাংবিধানিক। 

যদিও নিজেদের সপক্ষে যুক্তি দিয়েছে রাজ্য সরকারও। তাদের দাবি, কোনও নির্দিষ্ট ধর্মকে টার্গেট করে এই ধরনের কাজ করা হচ্ছে না। ২০২০ সালে কলকাতা হাইকোর্ট শব্দদূষণ সংক্রান্ত যে নির্দেশিকা দিয়েছিল, সেটা মেনেই এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

Advertisement

এর আগে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছিল, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই রাজ্যের ৩৪টি পুলিশ জেলাতেই মসজিদ এবং মন্দির, দুই জায়গা থেকেই মাইক সরানো হচ্ছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement