Advertisement

Shatrughan Sinha: 'দলে মমতা ছাড়া কাউকে নেতা মনে করি না' , অভিষেক প্রসঙ্গে বলছেন শত্রুঘ্ন

আসানসোলের তৃণমূল সাংসদ জানিয়েছেন, তিনি অতীতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে ছিলেন। ভবিষ্যতেও থাকবেন। আজ তককে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি কোনও কাগজে সই করেননি বা তাতে রাজিও হননি। কোনও বিদ্রোহীও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।

শত্রুঘ্ন সিনহা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়শত্রুঘ্ন সিনহা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Jun 2026,
  • अपडेटेड 8:48 PM IST

তৃণমূলের একের পর এক সাংসদ-বিধায়কেরা ঢুকে যাচ্ছেন 'বিদ্রোহী' তালিকায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সতীর্থরাও যখন মুখ ফিরিয়েছেন, সেই সময়ে একজন তৃণমূল সাংসদ তাঁকে ছাড়তে নারাজ। আসানসোলের তৃণমূল সাংসদ জানিয়েছেন, তিনি অতীতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে ছিলেন। ভবিষ্যতেও থাকবেন। আজ তককে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি কোনও কাগজে সই করেননি বা তাতে রাজিও হননি। কোনও বিদ্রোহীও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আচরণ এবং তাঁর বরিষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে শত্রুঘ্ন স্পষ্ট বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসে তাঁর নেত্রী একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এ ছাড়া তিনি আর কাউকে চেনেন না, বিশ্বাসও করেন না।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে শত্রুঘ্নের বিস্তারিতভাবে জবাব দিয়েছেন। তিনি বলেন, "কল্যাণ বুদ্ধিমান ও অভিজ্ঞ নেতা। অভিষেকের ব্যাপারে তাঁর ব্যক্তিগত কারণ থাকতে পারে। তিনি মমতার পাশেই আছেন। মমতার প্রজ্ঞার ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তাঁর অসন্তুষ্টির কারণ পেশাগত হতে পারে, অথবা সম্মান না পাওয়ার কারণেও তিনি অসন্তুষ্ট হতে পারেন।"

সাংসদ আরও বলেন, দুই-চারটি বাসনের মধ্যে ঝগড়া হতেই পারে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে তিনি দল ছেড়ে দিচ্ছেন।

শত্রুঘ্ন বলেন, "আমার যত সরাসরি কথা হয়েছে, যত নির্দেশ বা আদেশ পেয়েছি, সবই মমতার সঙ্গে হয়েছে। যতদিন দলে থাকব, অন্য কাউকে চিনি না, বা সেই পদে অন্য কাউকে স্বীকৃতিও দিই না।"

ইউসুফ পাঠান ও সায়নী প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, "হতে পারে তারা কোনও ভয়ে চলে গেছেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ মমতাকে অনুকরণ করতেন।"

বিদ্রোহী কাকলি প্রসঙ্গে শত্রুঘ্নের মন্তব্য, "যে সাংসদরা দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন, তাঁদের প্রথমে পদত্যাগ করা উচিত। তারপর নিজেদের পছন্দের যেকোনও দলে যোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু তাঁদের আগে পদত্যাগ করতেই হবে।"

শত্রুঘ্ন সিনহার সঙ্গে কথোপকথনের সময় যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কোনও বিজেপি নেতা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, তিনি হেসে প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন।

Advertisement

তৃণমূল সাংসদ বলেছেন, "ওরাও ভালো মানুষ, বন্ধু। আমি নিজেকে সব দলের প্রিয়পাত্র বলে মনে করি, সব দলেই আমার বন্ধু আছে, আমি ভারতীয় জনতা পার্টিতেই বড় হয়েছি, সেখানেই প্রশিক্ষণ পেয়েছি এবং সেখানেই উন্নতি করেছি। তাই, আমি তাঁদের প্রতি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। তাঁদের প্রতি আমার অনেক ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রয়েছে।"

অবশেষে তিনি এও বলেন, কারও সিদ্ধান্তে তিনি প্রভাবিত হননি। তিনি মমতার সঙ্গেই আছেন এবং থাকবেন।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement