Advertisement

Ritabrata Banerjee: দল হাতছাড়া হওয়ার জোগাড়, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রতর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাচ্ছে TMC

স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছে TMC। ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতার মান্যতা দিয়েছেন স্পিকার। তবে সেই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ TMC। সোমবার হাই কোর্টে মামলা দায়ের হবে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

আইনি লড়াইয়ে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।আইনি লড়াইয়ে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।
ইন্দ্রজিৎ কুণ্ডু
  • কলকাতা ,
  • 05 Jun 2026,
  • अपडेटेड 6:50 PM IST
  • ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন স্পিকার।
  • এবার সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।
  • হাইকোর্টে এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা দায়ের করবে TMC।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন স্পিকার। এবার সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় সূত্রে খবর, আগামী সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা দায়ের করবে TMC। দলের দাবি, এটি সংবিধান, বিধানসভার রীতি এবং দলত্যাগ বিরোধী আইনের পরিপন্থী।

গত ৩ জুন বিদ্রোহী বিধায়কদের জমা দেওয়া চিঠিকে স্বীকৃতি দেন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ ঘোষ। সেই চিঠিতে ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থনের দাবি করা হয়েছিল। এর পরই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের ‘আসল মালিকানা’ বিদ্রোহী শিবিরের হাতে গিয়েছে বলেও কার্যত স্পষ্ট হয়ে যায়।

তৃণমূলের একাংশের মতে, দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় বিদ্রোহী বিধায়কদের ভূমিকা আগে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন ছিল। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শাসকদল। 

প্রসঙ্গত, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাব ঘিরে সই-বিতর্কের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন প্রকাশ্যে আসে। বহিষ্কৃত হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। এরপরই তাঁরা 'বিদ্রোহী শিবির' একজোট করেন। পরে ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থনের দাবি করে স্পিকারের কাছে চিঠি জমা দেওয়া হয়।

স্পিকারের স্বীকৃতিও পান ঋতব্রত। তারপরই সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, 'আজ থেকে বিরোধী দল হিসেবে আমাদের যাত্রা শুরু।' তিনি জানান, তাঁদের পরিষদীয় দলে কোনও একক নেতা নেই, বরং এটি একটি সম্মিলিত টিম হিসেবে কাজ করবে। একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে 'পরামর্শদাতা' হিসেবে দেখতে চান বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব এই অবস্থান মানতে নারাজ। দলের মতে, নির্বাচিত বিধায়কদের একটি অংশের সমর্থন থাকলেই কোনও গোষ্ঠী মূল রাজনৈতিক দলের উত্তরাধিকার দাবি করতে পারে না। সেই কারণেই স্পিকারের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ চাওয়া হবে।

এখন নজর সোমবারের দিকে। কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার শুনানিতে স্পিকারের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে কি না, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে রাজনৈতিক মহলে।  

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement