Advertisement

রাখা যাবে না একাধিক পার্টনার, UCC লাগু হলে না জানিয়ে লিভ ইনে ২৫ হাজার জরিমানা

চতুর্থ রাজ্য হিসেবে বাংলায় চালু হতে চলেছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড (UCC)। কী এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি? এতে কী কী প্রভাব পড়বে বাংলায়?

অভিন্ন দেওয়ানি বিধি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 27 Jun 2026,
  • अपडेटेड 11:52 AM IST
  • বাংলায় চালু হতে চলেছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি
  • এতে কী কী প্রভাব পড়বে বাংলায়?
  • বহুগামিতা নিষিদ্ধ হবে?

দেশে চতুর্থ রাজ্য হিসেবে বাংলায় চালু হতে চলেছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড (UCC)। এখন সকলের মনে প্রশ্ন, কী এই আইন? কী কী থাকবে এই আইনে? কী প্রভাব পড়বে বাংলার মানুষের জীবনে? 

কী এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি?
সব ধর্মের মানুষের জন্য বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, জমি-সম্পত্তি এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত অভিন্ন আইন চালু হবে UCC-তে। ধর্ম নির্বিশেষে পুরুষদের বহুবিবাহ বন্ধ এবং ‘লিভ ইন’ সম্পর্ক নথিভুক্ত করাকে আইনের আওতায় আনা হবে। যদি কোনও নারী-পুরুষ ‘লিভ ইন’ করতে চান, তবে অবশ্যই পুলিশ বা জেলা আধিকারিকদের অনুমতি নিতে হবে। আর যদি তাঁদের বয়স ২১ বছরের নীচে হয়, তবে বাবা-মায়ের সম্মতির প্রয়োজন। তা না হলে দু’জনেরই ২৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং তিন মাসের জেল হতে পারে। এই ধরনের সম্পর্কে থাকাকালীন সন্তানের জন্ম হলে সে বাবা ও মা, উভয়ের উত্তরাধিকার লাভ করবে।

ধর্ম নির্বিশেষে মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বছর হবে। মুসলিম-সহ সব ধর্মের নাগরিকদের জন্য বিয়ে রেজিস্ট্রি বা নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক হবে। বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রেও রাজ্যের নাগরিকদের জন্য একই নিয়ম।

 নয়া আইনে ধর্ম নির্বিশেষে প্রত্যেক নারীর ও পুরুষের সমান অধিকার হবে। ধর্মীয় বিধানের জোরে নারীর অধিকার খর্ব করা যাবে না। 

বর্তমানে ভারতে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের জন্য আলাদা আলাদা পার্সোনাল ল’ বা ব্যক্তিগত আইন রয়েছে-

> হিন্দুদের জন্য হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্ট, হিন্দু উত্তরাধিকার আইন।
> মুসলিমদের জন্য রয়েছে মুসলিম পার্সোনাল ল’।
> খ্রিস্টান ও পার্সিদের জন্য পৃথক ব্যক্তিগত আইন রয়েছে।
অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউসিসি (UCC) চালু হলে এই পৃথক ব্যক্তিগত আইনগুলির বদলে সবার জন্য একটিই দেওয়ানি আইন কার্যকর হবে। 

কেন অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বিতর্ক?
 সমাজের একাংশ মনে করছে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লিভ ইন সম্পর্কের মতো একান্ত ব্যক্তিগত সম্পর্কের আইনি নিশ্চয়তাকে নাকচ করছে। যা সংবিধান প্রদত্ত নাগরিকদের গোপনীয়তা, আত্মমর্যাদা আর ব্যক্তিগত পছন্দের অধিকারের পরিপন্থী। লিভ-ইন সম্পর্ককে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় এনে আইন তৈরি করলে তা কোনও ভাবে নারীকে সুরক্ষা দিতে পারবে কি? উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement

অসমে যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনা হবে, তাতে বিয়ের ন্যূনতম বয়স, পারিবারিক সম্পত্তিতে মহিলাদের অধিকার নিশ্চিত করা হবে। বহুগামিতা সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ করা হবে। লিভ ইন সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। বিয়ে ও ডিভোর্সে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হবে বলেই জানিয়েছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, উত্তরাখণ্ড, গুজরাত এবং অসমের ধাঁচেই বাংলায় UCC লাগু হবে। সেক্ষেত্রে এখানে কী কী বিধান আনা হয়, সেটাই এখন দেখার। 
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement