Advertisement

TMC-র আরেক MP-ও BJP-র পথে? ফোনালাপের পরেই জল্পনা

এবার নজর পড়েছে তৃণমূলের আরও এক রাজ্যসভার সাংসদের দিকে। সূত্রের খবর, বিজেপির পক্ষ থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং দলবদলের জন্য আকর্ষণীয় প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি ওই ফোনালাপ সংশ্লিষ্ট সাংসদ রেকর্ড করে রেখেছেন বলেও রাজনৈতিক মহলে দাবি করা হচ্ছে। যদিও এই দাবির স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি বা প্রকাশ্য প্রমাণ সামনে আসেনি।

ভূপেন্দ্র যাদব।-ফাইল ছবিভূপেন্দ্র যাদব।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 17 Jul 2026,
  • अपडेटेड 11:14 AM IST
  • কোয়েল মল্লিকের ইস্তফার পর পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
  • প্রশ্ন উঠছে, ‘অপারেশন লোটাস’-এর পরবর্তী লক্ষ্য কি তৃণমূল কংগ্রেসের আরও কোনও সাংসদ?

কোয়েল মল্লিকের ইস্তফার পর পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, ‘অপারেশন লোটাস’-এর পরবর্তী লক্ষ্য কি তৃণমূল কংগ্রেসের আরও কোনও সাংসদ? সূত্রের দাবি, দলবদলের প্রক্রিয়া এখনও থামেনি এবং তৃণমূলের আরও এক রাজ্যসভার সাংসদকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর গত তিন মাসে তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন লোকসভা সাংসদ দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্যসভার তিন সাংসদ ইস্তফা দিয়ে বিজেপির সমর্থনে ফের উচ্চকক্ষে ফিরছেন। ১৭ জুলাই মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন হওয়ায়, ওই আসনগুলিতে আর ভোটের প্রয়োজন পড়ছে না বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

এবার নজর পড়েছে তৃণমূলের আরও এক রাজ্যসভার সাংসদের দিকে। সূত্রের খবর, বিজেপির পক্ষ থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং দলবদলের জন্য আকর্ষণীয় প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি ওই ফোনালাপ সংশ্লিষ্ট সাংসদ রেকর্ড করে রেখেছেন বলেও রাজনৈতিক মহলে দাবি করা হচ্ছে। যদিও এই দাবির স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি বা প্রকাশ্য প্রমাণ সামনে আসেনি।

রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, গোটা প্রক্রিয়ার দায়িত্বে রয়েছেন কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির কৌশল নির্ধারণে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এবং সি এম রমেশও এই যোগাযোগ প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন বলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা রয়েছে। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে আগামী সোমবার থেকে শুরু হতে চলা সংসদের বাদল অধিবেশন বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-র কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিরোধী শিবিরের লক্ষ্য, সংসদে নিজেদের ঐক্য অটুট রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলিতে যৌথ অবস্থান নেওয়া।

যদিও এলাকা পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল বা ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-এর লক্ষ্যে আনা ১২৯তম সংবিধান সংশোধনী বিল আপাতত সরকারের প্রাথমিক আইন প্রণয়নের তালিকায় নেই।

Advertisement

বাদল অধিবেশনে সরকার পাঁচটি সংশোধনী বিল আনতে চলেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইনকাম ট্যাক্স সংশোধনী বিল, সুপ্রিম কোর্ট জাজেস সংশোধনী বিল, রেজিস্ট্রেশন অব বার্থ অ্যান্ড ডেথস সংশোধনী বিল, প্রিভেনশন অব ইনসাল্ট টু ন্যাশনাল অনার সংশোধনী বিল এবং এমএসএমই ডেভেলপমেন্ট সংশোধনী বিল। এছাড়া লোকসভায় ইতিমধ্যেই পেশ হওয়া এফসিআরএ এবং ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিষ্ঠান’ বিলও এই অধিবেশনে পাস করানোর চেষ্টা হতে পারে।

কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ জানিয়েছেন, জনস্বার্থবিরোধী বলে মনে করা কোনও বিলই বিরোধীরা সহজে পাস হতে দেবেন না। অন্যদিকে কংগ্রেস সংসদীয় দলের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী বিরোধী জোটের নেতাদের নিয়মিত সমন্বয় বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর বার্তা, বিরোধীদের মধ্যে যোগাযোগে ফাঁক তৈরি হলেই বিজেপি রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement