Advertisement

'৯ তারিখের পর বিজয় মিছিল,' নন্দীগ্রামে বার্তা শুভেন্দুর, রাজ্যজুড়ে সতর্কতা জারি প্রশাসনের

রবিবার গভীর রাতে কলকাতা পুলিশ একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে ৪ মে ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর কোনও রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীকে বিজয় মিছিল বা জন-উৎসব করার অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে ৫ মে থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি সাপেক্ষে তা আয়োজন করা যেতে পারে।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 06 May 2026,
  • अपडेटेड 12:23 PM IST
  • ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞার পর অবশেষে বিজয় মিছিলের অনুমতি মিলল, তবে তা সম্পূর্ণ শর্তসাপেক্ষ।
  • নির্বাচন কমিশন সোমবার রাজ্যজুড়ে সব ধরনের বিজয় মিছিল ও জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও, মঙ্গলবার থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে।

ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞার পর অবশেষে বিজয় মিছিলের অনুমতি মিলল, তবে তা সম্পূর্ণ শর্তসাপেক্ষ। নির্বাচন কমিশন সোমবার রাজ্যজুড়ে সব ধরনের বিজয় মিছিল ও জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও, মঙ্গলবার থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে। এখন থেকে মিছিল বা সমাবেশ করতে হলে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় থানার আগাম অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

বুধবার নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে কর্মী-সমর্থকদের বলেন, '৯ তারিখের পর আপনার থানার অনুমতি নিয়ে বিজয় মিছিল করুন। তবে শান্তি বজায় রাখবেন।'

এদিকে, পুলিশ প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়েছে, প্রতিটি অনুমোদিত মিছিলকে কঠোরভাবে নির্ধারিত নিয়ম ও শর্ত মেনে চলতে হবে। ভোট-পরবর্তী উত্তেজনা ও হিংসার আশঙ্কায় রাজ্যের সমস্ত থানাকে বিশেষ সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার গভীর রাতে কলকাতা পুলিশ একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে ৪ মে ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর কোনও রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীকে বিজয় মিছিল বা জন-উৎসব করার অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে ৫ মে থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি সাপেক্ষে তা আয়োজন করা যেতে পারে।

এদিকে, বিপুল নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও শহরের একাধিক এলাকায় অশান্তির খবর সামনে এসেছে। ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং গণনাকেন্দ্রগুলিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।

ভোটের ফল স্পষ্ট হতে শুরু করতেই বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল প্রার্থী ও কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ ওঠে। ভবানীপুরের গণনাকেন্দ্র সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের বাইরে তৃণমূলের শিবির ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

নোয়াপাড়ায় তৃণমূল প্রার্থী তৃণঙ্কুর ভট্টাচার্যকে গণনাকেন্দ্র থেকে জোর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ব্যারাকপুরে রাজ চক্রবর্তীর ওপরও হামলার অভিযোগ রয়েছে, তাঁর পোশাকে কাদা ছিটিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।

শহরের যাদবপুর, বাঘাযতিন, পাটুলি, ট্যাংরা ও এন্টালিতে তৃণমূলের একাধিক দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে। কোথাও দলীয় পতাকা নামিয়ে গেরুয়া পতাকা টাঙানো হয়েছে, কোথাও আবার ব্যানার-ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।

Advertisement

তারাতলায় তৃণমূল ঘনিষ্ঠ এক কর্মীর গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও সামনে এসেছে। রুবি মোড়েও বিজেপির পতাকা হাতে একদল মানুষের তাণ্ডবের অভিযোগ উঠেছে, যেখানে একটি ভবনের কাঁচ ভেঙে ফেলা হয়। 

সব মিলিয়ে, ভোট-পরবর্তী উত্তেজনার আবহে প্রশাসন একদিকে যেমন কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে, তেমনই নিয়ন্ত্রিত উপায়ে রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতিও দিচ্ছে, যাতে পরিস্থিতি আরও অবনতি না ঘটে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement