Advertisement

কলকাতা সহ একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, আগামী ৭ দিনের পূর্বাভাস

দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রভাব আরও জোরদার হতে চলেছে। আগামী কয়েকদিন কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। 

ছবি: পিটিআইছবি: পিটিআই
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 19 Jun 2026,
  • अपडेटेड 1:49 PM IST
  • দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রভাব আরও জোরদার হতে চলেছে।
  • আগামী কয়েকদিন কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রভাব আরও জোরদার হতে চলেছে। আগামী কয়েকদিন কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। 

আবহাওয়া দফতরের সাত দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১৯ জুন দুপুর থেকে ২০ জুন সকাল পর্যন্ত কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া এবং ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই ধরনের পরিস্থিতি উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও দেখা যেতে পারে। 

সবচেয়ে বেশি সতর্কতা জারি করা হয়েছে হাওড়া ও হুগলি জেলায়। এই দুই জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান-সহ দক্ষিণবঙ্গের আরও কয়েকটি জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাশাপাশি ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী সাত দিন দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বজায় থাকবে। অধিকাংশ জায়গাতেই বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকতে পারে।

বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রাও কিছুটা কমতে পারে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। এরপর তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বজ্রবিদ্যুতের সময় খোলা মাঠ, জলাশয় বা গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়াই ভালো। ভারী বৃষ্টির কারণে জল জমা, যানজট এবং স্থানীয় স্তরে দুর্ভোগের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement