Advertisement

EPFO-র কোম্পানির ভাগের টাকা দেবে রাজ্য! এছাড়াও একাধিক অফার, বাংলার নয়া শিল্পনীতি বিস্তারিত

West Bengal Industry Policy: রাজ্যের নতুন শিল্পনীতি প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যার আওতায় একাধিক সুবিধা পাবেন বিনিয়োগকারীরা। রাজ্য সরকার ঠিক কী কী সুবিধা দিচ্ছে, সহজ ভাষায় বুঝুন

EPFO-র কোম্পানির ভাগের টাকা দেবে রাজ্য! এছাড়াও একাধিক অফার, বাংলার নয়া শিল্পনীতি বিস্তারিতEPFO-র কোম্পানির ভাগের টাকা দেবে রাজ্য! এছাড়াও একাধিক অফার, বাংলার নয়া শিল্পনীতি বিস্তারিত
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 05 Nov 2026,
  • अपडेटेड 5:52 PM IST
  • রাজ্যে শিল্পের খরা কাটাতে নতুন শিল্পনীতির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
  • ‘পশ্চিমবঙ্গ বিনিয়োগ প্রসার নীতি ২০২৬’ -র উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
  • পশ্চিমবঙ্গ এমন বিনিয়োগ চায়, যা কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং প্রতিটি জেলায় পৌঁছবে।

রাজ্যে শিল্পের খরা কাটাতে নতুন শিল্পনীতির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগের সরকারকে আক্রমণ করার পাশাপাশি, এরাজ্যে আগামীদিনে যাতে শিল্প ও বিনিয়োগের প্রসার হয় তার জন্য  ‘পশ্চিমবঙ্গ বিনিয়োগ প্রসার নীতি ২০২৬’ -র উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাজ্য সরকারের তরফে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ এমন বিনিয়োগ চায়, যা কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং প্রতিটি জেলায় পৌঁছবে। পশ্চিমবঙ্গ বিনিয়োগ প্রসার নীতির আওতায় কর্মসংস্থানকে সবার আগে রাখা হয়েছে। কর্মসংস্থানের উদ্দেশে শিল্প ও বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ দিতে, EPFO-তে কোম্পানির অংশের কিছু টাকাও দেবে রাজ্য সরকার। বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ বেশি পরিমাণে নেওয়া হয়েছে।

EPFO-তে কী করা হবে?

নতুন কোম্পানি বা কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে (যারা রাজ্যে নতুন বিনিয়োগ করবেন) EPFO-তে কোম্পানির একাংশ রাজ্য সরকার প্রতিপূরণ করবে। যেমন- MSME-তে মহিলা ও রূপান্তরকামী কর্মীদের জন্য, ১০ বছর যাবৎ ১০০ শতাংশ EPFO-তে কোম্পানির অর্থ দেবে রাজ্য। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ ৫০ শতাংশ।

আবার ২০০-র বেশি কর্মী আছে এমন পরিষেবা ইউনিটে মহিলাদের জন্য ৭৫ শতাংশ  EPFO-র টাকা কোম্পানির হয়ে দেবে রাজ্য। অগ্রাধিকার এলাকায় অন্তত ২০০ জন বা অন্যত্র ৪০০ জন কর্মী আছে এমন বৃহৎ ইউনিট ও মেগা প্রকল্পে মহিলাদের জন্য ৫০ শতাংশ  EPFO-র টাকা কোম্পানির হয়ে দেবে রাজ্য। 

এই শিল্প নীতির আওতায় কী কী রয়েছে?

রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, এই শিল্প নীতির আওতায় রয়েছে MSME সেক্টর, বড় উৎপাদনকারী ও অন্যান্য ব্যবসা বা বৃহৎ ইউনিট, মেগা প্রকল্প: খুব বড় বা কৌশলগত প্রকল্প, আই-টি, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন, আর্থিক পরিষেবা, শিক্ষা সেক্টর ইত্যাদি, অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, এবং রুগ্ন বা বন্ধ হওয়া কারখানা।

অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের জন্য কী পরিকল্পনা?

অলাভজনক ভিত্তিতে পরিচালিত হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও অনুরূপ প্রতিষ্ঠান, সি-এস-আর তহবিলে চলা প্রতিষ্ঠানগুলিকে এর আওতায় রাখা হয়েছে। দের রাজ্যে অন্তত ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হবে এবং ১০ বছর ধরে রাজ্য কর্তৃক প্রজ্ঞাপিত গোষ্ঠীগুলির জন্য পরিষেবা-ক্ষমতার অন্তত এক-চতুর্থাংশ উপলব্ধ রাখতে হবে। বিনিময়ে তারা অধিক সুবিধা পাবে, যেমন ১০০% পর্যন্ত স্ট্যাম্প ডিউটি ছাড়, জমির চরিত্র বদল (কনভার্সন) ফি মকুব এবং নেট মিটারিং।

Advertisement

আর্থিক সুবিধার বাইরে অন্য সুবিধা

নতুন শিল্পনীতিতে সবুজ বিদ্যুৎ বা পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুতের ওপেন অ্যাক্সেসে ২০৩০ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত সারচার্জ মকুব করার কথা জানিয়েছে সরকার।

এছাড়াও, পরিষেবা ইউনিটের জন্য পাঁচ বছরের সময়সীমায় এস-জি-এস-টি-র ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা, ই-পি-এফ সহায়তা, বিদ্যুৎ শুল্কে ছাড়, লিজ নেওয়া জায়গার জন্য ভাড়ার সহায়তা করবে রাজ্য সরকার।

অন্যদিকে,উৎপাদনকারী ও অন্যান্য ইউনিটের ক্ষেত্রে এস-জি-এস-টি-র ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা, ৫ বছর পর্যন্ত বিদ্যুৎ শুল্ক ছাড়, প্রকল্পের জমির ক্ষেত্রে স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড়, গবেষণা ও উন্নয়নে সহায়তা দেবে রাজ্য।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement