
পুজো শেষ। আজ একাদশী। তাই বিষাদের সুর রয়েছে গোটা পশ্চিমবঙ্গে। যদিও আজকের আবহাওয়া নিয়ে তেমন একটা খারাপ খবর নেই। বৃহস্পতিবার কলকাতা সহ অধিকাংশ জেলাতে রোদ ঝলমলে আকাশের দেখাই মিলবে। কিন্তু এরই মাঝে একটা আশঙ্কার বিষয়ও রয়েছে। কারণ, ফের একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। একাধিক আবহাওয়া মডেল জানাচ্ছে, এটি আগামী সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে। যার প্রভাব পড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গে। এটির ল্যান্ডফলও হতে পারে আমাদের রাজ্যের কাছাকাছি। যার জেরে ভারী বৃষ্টির একটা সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। তাই আজকের আবহাওয়ার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধিও জেনে নিন।
দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া?
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আজ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নেই। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, বর্ধমান, হুগলি, নদিয়া, বীরভূম, দুই মেদিনীপুর সহ অন্যান্য জেলায় একই রকম থাকবে আবহাওয়া। মোটের উপর পরিষ্কার থাকবে আকাশ। তাই আজকের আবহাওয়া নিয়ে বাড়তি চিন্তা কিছু নেই।
কলকাতায় কেমন থাকবে ওয়েদার?
দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলার মতোই কলকাতার আবহাওয়া থাকবে। আকাশ থাকবে ঝলমলে। রোদের দেখা মিলবে। তবে মাঝে মধ্যে মেঘলা আকাশের দেখাও মিলতে পারে।
এ দিন সকালে কলকাতার বেশ কিছু জায়গায় শরতের হালকা ঠান্ডা আমেজের দেখাও মিলেছে। বিশেষত, ভোরের দিকে ময়দান চত্ত্বরে মনোরম ছিল আবহাওয়া। আর রাতেও এমন পরিস্থিতি থাকতে পারে।
উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার আপডেট কী?
একাদশীতে শুষ্ক আবহাওয়ার সাক্ষী হবে উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ির মতো জেলাগুলিতে আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে দ্বাদশীতে দার্জিলিং এবং কালিম্পং-এ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।
ঘূর্ণিঝড়ের কী খবর?
বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলেছে আবহাওয়া দফতর। তারা জানিয়েছে, ১৯ অক্টোবর থাইল্যান্ড উপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছিল। সেটি মধ্য আন্দামান সাগরের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। তারপর পরিণত হতে পারে নিম্নচাপে। এরপরই এটি দক্ষিণপূর্ব অথবা পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করবে। তখন এটি আরও শক্তি বাড়িয়ে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এমনকী গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার আশঙ্কাও থাকছে। এই সপ্তাহান্তের শেষ দিকে বা আগামী সপ্তাহের গোড়ায় সেটি ঘূর্ণিঝড়ের আকারও নিতে পারে।
এটির ল্যান্ডফল পশ্চিমবঙ্গের আশপাশে হলে তার প্রভাব পড়তে পারে। এক্ষেত্রে ভাল বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এখন দেখার পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়।