Advertisement

হাইওয়েতে বাঁশের ব্যারিকেড বেঁধে চলত তোলাবাজি, এবার চিরতরে বন্ধ হচ্ছে ‘ভাইপো ট্যাক্স’

‘ভাইপো ট্যাক্স’ শব্দটি সাম্প্রতিক সময়ের রাজনৈতিক আলোচনায় বারবার উঠে এসেছে। নির্বাচনী প্রচারের সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেছিলেন, “৪ মে বিজেপি সরকার গঠিত হলেই বাংলার মানুষ এই ‘ভাইপো ট্যাক্স’ থেকে মুক্তি পাবে।” তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মহাসড়কে অবৈধ নাকা ও চাঁদা আদায়ের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে পরিবহণ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 May 2026,
  • अपडेटेड 12:17 PM IST
  • ‘ভাইপো ট্যাক্স’ শব্দটি সাম্প্রতিক সময়ের রাজনৈতিক আলোচনায় বারবার উঠে এসেছে।
  • নির্বাচনী প্রচারের সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেছিলেন, “৪ মে বিজেপি সরকার গঠিত হলেই বাংলার মানুষ এই ‘ভাইপো ট্যাক্স’ থেকে মুক্তি পাবে।”

‘ভাইপো ট্যাক্স’ শব্দটি সাম্প্রতিক সময়ের রাজনৈতিক আলোচনায় বারবার উঠে এসেছে। নির্বাচনী প্রচারের সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেছিলেন, “৪ মে বিজেপি সরকার গঠিত হলেই বাংলার মানুষ এই ‘ভাইপো ট্যাক্স’ থেকে মুক্তি পাবে।” তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মহাসড়কে অবৈধ নাকা ও চাঁদা আদায়ের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে পরিবহণ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে।

এই প্রসঙ্গে বলা হয়, রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী রুটে, ট্রাক ও মালবাহী যানবাহন থেকে অবৈধভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এই প্রক্রিয়াকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে ‘ভাইপো ট্যাক্স’ শব্দটির ব্যবহার শুরু হয়।

কেন এই নাম ‘ভাইপো ট্যাক্স’?
রাজনৈতিক বিরোধীদের একটি অংশ তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামকে ইঙ্গিত করেই এই শব্দ ব্যবহার করেছে। তাদের অভিযোগ, তাঁর প্রভাব বা সংশ্লিষ্টতার প্রসঙ্গ টেনে রাজ্যে একটি চাঁদা আদায়ের নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ রাজনৈতিক প্রচারে বারবার ‘পিসি-ভাইপো’ প্রসঙ্গ তুলে ‘তোলাবাজি’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। বিরোধীদের অভিযোগ, রাজ্যে প্রশাসনিক কাজকর্মে প্রভাব খাটানোর বিষয়টিও এই বিতর্কের অংশ।

ট্রাক চালকদের অভিযোগ কী?
অসম ও পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে যাতায়াতকারী ট্রাক চালকদের একাংশের দাবি, শিলিগুড়ি সহ বিভিন্ন প্রবেশপথে ট্রাক থামিয়ে ‘অভিষেক ট্যাক্স’ নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ বহুদিন ধরেই শোনা যায়। এই অভিযোগই রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে।

প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি
দায়িত্ব গ্রহণের পর বিজেপি সরকারের তরফে দাবি করা হয়, মহাসড়কে থাকা অবৈধ চাঁদা আদায় কেন্দ্র ও নাকা পয়েন্ট ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনকে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের কাঠামো পুনরায় না গড়ে ওঠে, সে বিষয়েও কড়া নজরদারির কথা বলা হয়েছে।


কীভাবে ছড়িয়ে ছিল অবৈধ নেটওয়ার্ক?
অভিযোগ অনুযায়ী, বহু বছর ধরে কিছু মহাসড়কে বাঁশের ব্যারিকেড বসিয়ে অস্থায়ী নাকা তৈরি করা হতো। সেখানে ট্রাক থামিয়ে টাকা নেওয়া হতো। না দিলে হয়রানি, যানবাহনের ক্ষতি বা দীর্ঘ সময় আটকে রাখার অভিযোগও ওঠে।

Advertisement

সবচেয়ে বেশি অভিযোগ ওঠে পশ্চিম বর্ধমান ও পুরুলিয়ার মতো রুটে। প্রতিদিন প্রায় ৫০,০০০ ট্রাক এই রাজ্যের মধ্য দিয়ে যাতায়াত করে বলে পরিবহণ মহলের অনুমান।

বর্তমান পরিস্থিতি
সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশ কিছু রুটে অবৈধ ব্যারিকেড ও নাকা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পরিবহণ সংগঠনগুলির বক্তব্য, এতে ট্রাক চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement