Advertisement

বাংলায় ৩৫ জন মন্ত্রী কে কোন দফতর পেলেন? সম্পূর্ণ লিস্ট রইল

সূত্রের খবর, স্বরাষ্ট্র দফতর নিজের হাতেই রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি আইন ও বিচার, ভূমি ও ভূমিরাজস্ব এবং বিদ্যুৎ দফতরের দায়িত্বও তাঁর কাছেই থাকবে। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, রাজ্যের নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হচ্ছেন চিকিৎসক-রাজনীতিক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। অন্যদিকে শিল্প ও বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব পেতে চলেছেন বর্ষীয়ান নেতা ও মানিকতলার বিধায়ক তাপস রায়।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 10 Jun 2026,
  • अपडेटेड 1:16 PM IST
  • রাজ্যের নতুন মন্ত্রিসভার দফতর বণ্টন নিয়ে জল্পনার অবসান হতে চলেছে।
  • মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে একাধিক দফার আলোচনার পর বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করেছে।

রাজ্যের নতুন মন্ত্রিসভার দফতর বণ্টন নিয়ে জল্পনার অবসান হতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে একাধিক দফার আলোচনার পর বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করেছে। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, দলীয় সূত্রে সম্ভাব্য দফতর বণ্টনের একটি স্পষ্ট ছবি সামনে এসেছে।

সূত্রের খবর, স্বরাষ্ট্র দফতর নিজের হাতেই রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি আইন ও বিচার, ভূমি ও ভূমিরাজস্ব এবং বিদ্যুৎ দফতরের দায়িত্বও তাঁর কাছেই থাকবে। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, রাজ্যের নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হচ্ছেন চিকিৎসক-রাজনীতিক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। অন্যদিকে শিল্প ও বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব পেতে চলেছেন বর্ষীয়ান নেতা ও মানিকতলার বিধায়ক তাপস রায়।

প্রথমদিকে জোর জল্পনা ছিল অর্থ দফতরও মুখ্যমন্ত্রীর কাছেই থাকবে। কিন্তু বিজেপি সূত্রে এখন জানা যাচ্ছে, অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে স্বপন দাশগুপ্তকে। সেই সঙ্গে রাজ্যের শিক্ষা দফতরকে একাধিক ভাগে ভাগ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

উচ্চশিক্ষা দফতরের দায়িত্ব পাচ্ছেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এবং স্কুলশিক্ষা দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে উত্তরবঙ্গের বিজেপি নেতা দীপক বর্মণকে। দীর্ঘদিন পর শিক্ষা দফতরকে পৃথকভাবে ভাগ করে আলাদা মন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিজেপি ও আরএসএস নেতৃত্বের মতে, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে যে নানা সমস্যা, বিতর্ক এবং নিয়োগ-সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলার জন্য পৃথক নজরদারি প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থায় কিছু মৌলিক পরিবর্তন আনার পক্ষেও তাঁরা মত দিয়েছেন। সেই কারণেই শিক্ষা বিভাগের দায়িত্ব এমন নেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, যাঁদের সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের আদর্শগত সম্পর্ক রয়েছে।

রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্তকে প্রথমে শিক্ষামন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে অর্থ দফতরের জন্যই বেছে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। অন্যদিকে শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের হাতে যাচ্ছে পর্যটন দফতর। শিক্ষাবিদ ও কৃষিবিজ্ঞানী কল্যাণ চক্রবর্তীর হাতে কৃষি বা কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও গুরুত্বপূর্ণ দফতর তুলে দেওয়া হতে পারে।

Advertisement

ইতিমধ্যেই দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রীদের মধ্যে দিলীপ ঘোষ পেয়েছেন পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণিসম্পদ দফতর। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। খাদ্য ও সরবরাহ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অশোক কীর্তনিয়াকে। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের দায়িত্বে রয়েছেন ক্ষুদিরাম টুডু।

প্রথমে নিশীথ প্রামাণিককে ক্রীড়া ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর দেওয়া হলেও পরে সেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁকে ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরের দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর হাতেই থাকবে ক্রেতা সুরক্ষা দফতর। পরিবহণ ও শ্রম দফতরের দায়িত্ব পেতে চলেছেন নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিংহ।

এছাড়া কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্বে ‘আদি বিজেপি’ নেতা ও ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক দুধকুমার মণ্ডলের নামও জোরালোভাবে উঠে আসছে। দলীয় সূত্রের দাবি, রাজ্য নেতৃত্ব, বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল এবং আরএসএসের শীর্ষ নেতৃত্বের মতামত নিয়ে দফতর বণ্টনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে শেষ মুহূর্তে কয়েকটি দফতরে রদবদল হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement