Advertisement

Taratala Godown Collapse: TMC ঘনিষ্ঠ আসগর খান বানাচ্ছিলেন তারাতলার গুদাম, কবে থেকে? চাঞ্চল্যকর তথ্য

জানা গেছে, নির্মীয়মাণ এই গোডাউনের মালিকের নাম শম্ভু বেহরা। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃত ডেভেলপার আসগর খানের সঙ্গে কাজ করাছিল বেহরা ব্রাদার্স। গত ছয়-সাত মাস ধরে গুদামঘরটির নির্মাণকাজ চলছিল।

তৃণমূল ঘনিষ্ঠ আসগর খানতৃণমূল ঘনিষ্ঠ আসগর খান
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 Jun 2026,
  • अपडेटेड 4:36 PM IST

লোহার বিমের ওপরে ছাদ ঢালাই। সেই ভার নিতে না পেরেই ভেঙে পড়ে নির্মীয়মাণ তিন তলা গোডাউনটি। তারাতলা ব্রেস ব্রিজের কাছে চায়ের গোডাউন তৈরি হচ্ছিল। লোহা, টিন, কংক্রিট দিয়ে তৈরি করা হচ্ছিল এই বিশাল গুদাম ঘরটি। বেআইনিভাবে এই নির্মাণটি তোলা হচ্ছিল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। কে বা কারা তৈরি করছিল এই অবৈধ গোডাউনটি? প্রকাশ্যে এসেছে নাম।

জানা গেছে, নির্মীয়মাণ এই গোডাউনের মালিক শম্ভু বেহরা। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ডেভেলপার আসগর খান। বেহরা ব্রাদার্সের এই গুদামটির নির্মাণ করছিলেন এই আসগর। গত ছয়-সাত মাস ধরে গুদামঘরটির নির্মাণকাজ চলছিল।

গুদামটির নির্মাতা তৃণমূল ঘনিষ্ঠ আসগর খান 
তারাতলার ব্রেস ব্রিজে ট্রান্সপোর্ট ডিপোর কাছে যে গুদামটি ভেঙে পড়েছে তা তৈরি হয়েছে কলকাতা বন্দর এলাকায়। বন্দরের থেকে লিজ নিয়ে এই জায়গায় গুদাম ঘর বানানোর কাজ শুরু হয়। তবে বন্দরের জমিতে লিজ নিতে হলে কলকাতা কর্পোরেশনের অনুমোদন লাগে। সেখান থেকে এনওসি শংসাপত্র মিললেই কোনও নির্মাণকাজ করা যায়। কলকাতা কর্পোরেশন এক্ষেত্রে এনওসি দিয়েছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে নির্মাণটির নির্মাতা আসগর খানকে নিয়ে। বেহরা ব্রাদার্সের এই নির্মাণকাজ তিনিই চালাচ্ছিলেন বলে খবর। এই আসগর খুবই প্রভাবশালী ছিলেন বলে জানা যায়। সূত্রের খবর, তিনি দক্ষিণ কলকাতার এক তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠও ।

উল্লেখ্য, বেহেরা ব্রাদার্সের নিজস্ব ওয়েবসাইটে উল্লেখ রয়েছে, ১৯৭০ সালে স্টোরেজ এবং ওয়্যারহাউজিং পরিষেবা প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই সংস্থা। কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে তাদের গুদাম রয়েছে। প্রধানত চা-সহ বিভিন্ন পণ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। লজিস্টিকস এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে এই সংস্থা যুক্ত। 

প্রসঙ্গত, বুধবার তারাতলা ব্রেস ব্রিজের কাছে নির্মীয়মাণ গোডাউনের লোহার ছাদ ভেঙে বিপর্যয় ঘটে। ভিতরে আটকে পড়েন শ্রমিকেরা। অনেকে গুরুতর আহত হন। বেলায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়েরা জানাচ্ছে, তিন তলা থেকে পুরো ছাদটা নীচে ভেঙে পড়ে। ভিতরে ৫০ জনের মতো শ্রমিক আটকে থাকতে পারে বলে অনুমান। চলছে উদ্ধারকাজ। অনেকের মৃত্যুর আশঙ্কা।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement