Advertisement

হঠাত্‍ BJP-দের বাছাই হবে পরীক্ষায়? বেনোজল রুখতে তত্‍পর RSS

আরএসএস নেতৃত্বের আশঙ্কা, সুযোগসন্ধানী কিছু ব্যক্তি দলে থেকে গেলে সাধারণ মানুষের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে। তাই ‘আসল’ ও ‘নকল’ বিজেপি কর্মীদের আলাদা করতে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি বিতর্কিত ভাবমূর্তি থাকা কিছু নেতার সাংগঠনিক পদও খতিয়ে দেখা হতে পারে।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 16 Jun 2026,
  • अपडेटेड 12:35 PM IST
  • রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিজেপির সংগঠনে হঠাৎ করেই নতুন মুখের ভিড় বেড়েছে।
  • অনেকেই রাতারাতি নিজেদের বিজেপি কর্মী বা নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন।

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিজেপির সংগঠনে হঠাৎ করেই নতুন মুখের ভিড় বেড়েছে। অনেকেই রাতারাতি নিজেদের বিজেপি কর্মী বা নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। কিন্তু এই নতুনদের সবাইকে যে সহজে গ্রহণ করা হবে না, সেই বার্তাই স্পষ্ট করছে আরএসএস। দলীয় সূত্রের খবর, সংগঠনে ঢুকে পড়া ‘বেনোজল’ চিহ্নিত করতে শিগগিরই শুরু হতে পারে এক ধরনের ‘শুদ্ধিকরণ অভিযান’।

বিজেপি এখন ক্ষমতায় আসার পর স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন স্তরে প্রভাব ও পদ পাওয়ার আগ্রহ বেড়েছে। বুথ থেকে জেলা স্তর পর্যন্ত বহু নতুন মুখকে সক্রিয় হতে দেখা যাচ্ছে। তাঁদের অনেকেই বিভিন্ন শাখা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন এবং স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন। কিন্তু দলের পুরনো কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, এদের মধ্যে অনেকেই অতীতে বিজেপির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক না রেখেই এখন রাজনৈতিক সুবিধার আশায় দলে ভিড় জমাচ্ছেন।

এই পরিস্থিতিতে সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আরএসএস আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের দাবি, কোন নেতা বা কর্মী দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত এবং কারা ভোটের ফল প্রকাশের পর হঠাৎ করে গেরুয়া শিবিরে এসেছেন, তার বিস্তারিত তথ্য আরএসএসের কাছে রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে তারা।

দলীয় মহলের মতে, বুথ, মণ্ডল ও জেলা কমিটির পুনর্গঠনের সময় সদস্য নির্বাচন এবং নেতৃত্ব নির্ধারণে আরএসএসের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সংগঠনের দায়িত্ব পেতে হলে শুধু বিজেপির নাম ব্যবহার করলেই হবে না, প্রমাণ করতে হবে আদর্শ, শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক কাজের প্রতি দায়বদ্ধতাও।

আরএসএস নেতৃত্বের আশঙ্কা, সুযোগসন্ধানী কিছু ব্যক্তি দলে থেকে গেলে সাধারণ মানুষের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে। তাই ‘আসল’ ও ‘নকল’ বিজেপি কর্মীদের আলাদা করতে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি বিতর্কিত ভাবমূর্তি থাকা কিছু নেতার সাংগঠনিক পদও খতিয়ে দেখা হতে পারে।

Advertisement

উল্লেখ্য, রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর বহু এলাকায় এমন অভিযোগ উঠেছে যে, যাঁরা দীর্ঘদিন বিজেপির হয়ে কাজ করেছেন, তাঁদের একাংশ এখন নতুন আগন্তুকদের দাপটে কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন। আবার নতুনদের সবাইকে একসঙ্গে দূরে সরিয়েও দেওয়া সম্ভব নয় বলেই মনে করছে নেতৃত্ব। ফলে সংগঠনের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং দলের আদর্শগত ভিত্তি অটুট রাখতে আরএসএস এবার সরাসরি ছাঁকনির ভূমিকা নিতে চলেছে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement