
উত্তরপ্রদেশের জালাউন জেলায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। বন্ধ্যাকরণ অপারেশনের পরও এক মহিলার সন্তানের জন্ম হয়েছে। এবার নবজাতকের লালন-পালনের খরচ সরকারের কাছ থেকে দাবি করেছেন ওই দম্পতি।
ডাকোর এলাকার বাসিন্দা ভানু প্রতাপ জানান, ২০২৩ সালে একটি সরকারি হাসপাতালে তাঁর স্ত্রী ভূরির বন্ধ্যাকরণ করানো হয়। স্বাস্থ্য দফতর সেই সময় অপারেশনকে সম্পূর্ণ সফল বলে ঘোষণা করে। পরিবার পরিকল্পনার সরকারি স্লোগান ‘হাম দো, হামারে দো’ মেনে আর্থিক সঙ্কটের কথা ভেবেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি ভূরি এক সুস্থ পুত্র সন্তানের জন্ম দেন, যা গোটা ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
ভানু প্রতাপের অভিযোগ, দারিদ্র্য ও সীমিত আয়ের কারণে পরিবারের সদস্য সংখ্যা বাড়াতে চাননি তাঁরা। সরকারি প্রক্রিয়া মেনে বন্ধ্যাকরণ করানোর পরও যদি সন্তান জন্মায়, তবে তার দায় স্বাস্থ্য বিভাগেরই, এমনটাই দাবি তাঁর। দম্পতির মতে, এটি তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়, বরং চিকিৎসা ব্যবস্থার গাফিলতির ফল।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় স্বাস্থ্য দফতরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অপারেশন সফল বলে ঘোষণা করা সত্ত্বেও কীভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এখন ওই পরিবার সরকারের কাছে আর্থিক সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। তাঁদের বক্তব্য, হঠাৎ করে আরেকটি সন্তানের লালন-পালনের দায় কাঁধে এসে পড়ায় আর্থিক চাপ বহুগুণ বেড়েছে। তাই শিশুটির শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ ব্যয়ের সম্পূর্ণ দায় সরকারকেই নিতে হবে।