ভয়াবহ নৃশংসতার শিকার হয়েছে বারুইপুরের বারো বছরের কিশোরী। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই নির্যাতিতার বাড়িতে রাজনৈতিক নেতাদের যাতায়াত শুরু হয়। এদিন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবির নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। এদিন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তার আগে সকালেই সেখানে পৌঁছে যান পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, লকেট চট্টোপাধ্যায়রা। এদিন বারুইপুরে গিয়েছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক তথা আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকীও। পুলিশ ও রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। অন্য দিকে, এনডিএ জোটকে সমর্থনকারী তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ দুই সাংসদ সায়নী ঘোষ এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদারও গিয়েছিলেন বারুইপুরে।