৭০ শতাংশ মুসলিম ভোটের এই কেন্দ্রে বিধানসভা নির্বাচনে জিতেছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। মাত্র ৫ মাসের মধ্যে খেলা ঘুরে গেল। রেজিনগরে এখনও পর্যন্ত যা ট্রেন্ড, তাতে বিপুল ভোটে জিততে পারে বিজেপি। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে, তখন তৃতীয় রাউন্ড গণনা হয়ে গিয়েছে রেজিনগরে। ৩৩ হাজার ৭০০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শাখরভ সরকার। তাত্পর্যপূর্ণ ভাবে রেজিনগরে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসছে আমজনতা উন্নয়ন পার্টি। আজ যখন রেজাল্ট বেরোচ্ছে, তখন দেখা যাচ্ছে রেজিনগরে বিরাট ভোটে জেতার পথে বিজেপি। কংগ্রেস সহ বিরোধীরা যতই রিগিং ও সন্ত্রাসকে হাতিয়ার করুক, রেজিনগরে রেজাল্ট একেবারে অন্য কথা বলছে। এই রকম বিপুল ভোট পাওয়ার কারণ কী? রেজিনগরের বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারের কথায়, 'সংখ্যালঘু, সংখ্যাগুরু, এ সব কথা বলবেন না। এসব শুনে বাংলার মানুষ ক্লান্ত হয়ে গিয়েছে। বাংলায় এখন একটাই ক্যাসেট বাজবে, এখানে উন্নয়ন চাই, রেজিনগরে কলেজ চাই, শিল্প চাই। সংখ্যালঘু মানুষরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান। যখন কংগ্রেসের সরকার ছিল, তখন তাঁরা কংগ্রেসের সঙ্গে ছিলেন। পরবর্তীকালে যখন বামেরা ক্ষমতায় এল, তখন তাঁরা বামেদের সঙ্গে ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সময়ে সংখ্যালঘুরা সবাই তৃণমূল কংগ্রেসকে একচেটিয়া ভোট দিয়েছেন। এখন শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সংখ্যালঘুরা নিজেদের উন্নয়নের স্বার্থে হৈ হৈ করে সবাই বিজেপি-কে ভোট দিয়েছেন।'