শুরুতেই আপনাদের একেবারে নাড়িয়ে দেওয়ার মতো একটা প্রশ্ন করি—একটা গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনে লড়ার অধিকার কি তবে মামলার জালে আটকে দেওয়া হবে? ঠিক এই প্রশ্নটাই আজ বড় হয়ে দেখা দিয়েছে নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে। গত কিছুদিন ধরে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক পারদ চড়ছিল আকাশছোঁয়া। উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন মিলন প্রধান। কিন্তু প্রচার বা রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে থাকার বদলে তাঁকে সোজা পড়তে হয়েছিল পুলিশের জালে। ২০০৭ সালের পুরনো কিছু মামলার জেরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং নিম্ন আদালত তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। কিন্তু আইনের খাঁচায় বন্দি করে কি মুখ বন্ধ রাখা যায়? আজ সেই প্রশ্নটাই নতুন করে সামনে চলে এল যখন কলকাতা হাইকোর্ট থেকে এল এক বিরাট স্বস্তির রায়।