গত বুধবার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। এক সপ্তাহ হওয়ার আগেই টাকা দেওয়ার কাজ শুরু। কাল অর্থাৎ বুধবার থেকেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ৩০০০ টাকা ঢুকবে। তারকেশ্বরে দাঁড়িয়ে ফের জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'কাল থেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া শুরু হবে। যাঁরা ফর্ম পূরণ করেছেন, তাঁরা টাকা পাবেন। আমরা যা বলি, ভেবেচিন্তেই বলি। কোনও ঘুসপেটিয়াকে টাকা দেওয়া হবে না।' তারকেশ্বরে দাঁড়িয়ে ফের একবার অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বাংলার মহিলাদের আশ্বস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। কথা দিয়ে কথা খেলাপ নয়। বরং কাল থেকেই উপভোক্তারা হাতে হাতে টাকা। আগেই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, ‘যত দ্রুত ফর্ম ফিলআপ হবে, তত দ্রুতই চালু হবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। আর যাঁরা অন্নপূর্ণার ফর্ম এখনও পূরণ করেননি, তাঁরাও বঞ্চিত হবেন না। তাঁদের অ্যাকাউন্টেও আগের মতো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকবে।’ ইতিমধ্যেই একাধিক ভুয়ো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের অ্যাকাউন্টের অস্তিত্ব মিলেছে। গ্রেফতারও করা হয়েছে কয়েকজনকে। তদন্তের জাল যে আরও বাড়বে সোমবারই নবান্নে দাঁড়িয়ে সেই ইঙ্গিতই আরও স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, 'এসআইআরে নাম বাদ যাওয়া এবং এই রাকিবুল, মুস্তাফিজুর, তারিকুলরা মিলে অন্তত ৩০ লক্ষ ভুয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা তুলেছে। ৩০ লক্ষ গুণিতক ১ হাজার টাকা করে যদি হিসাব করেন, জনগণের কত হাজার কোটি টাকা এরা লুঠ করেছে এই লুঠেরাদের পার্ট, এটা তার প্রমাণ। আমরা এদের একেবারে গ্রাসরুট থেকে ক্র্যাক ডাউন করব আইনের মাধ্যমে।'