আজ অর্থাত্ দশমীর সকালে বাজেকদমতলা ঘাটে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। খতিয়ে দেখেন সামগ্রিক পরিস্থিতি। গঙ্গায় দূষণ নিয়ন্ত্রণে এর আগে প্রতিমা ভাসানোর পর পরই ক্রেন দিয়ে তুলে ফেলা হত। সেই নিয়ম অনেকের পছন্দ নয়। তাতে বাঙালিরা ক্ষুন্ন হন। সেকথা মাথায় রেখে এবার ট্রলির ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। বিসর্জন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সব রকমের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু টাকিতে ইছামতি নদীতে বিসর্জনকে ঘিরে উদ্বেগও প্রকাশ করলেন তিনি। বললেন, 'একটা নিয়েই চিন্তিত আছি, সেটা হল ইছামতি নদী, টাকি। ওখানে তো শুধু ঠাকারু বিসর্জন নয়, প্রায় ২০০ নৌকায় চড়ে বিসর্জন দেখতে প্রচুর দর্শনার্থী মাঝ নদীতেও যান। আমরা ওদের বিরত করতে চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ধর্মীয় আবেগ কাজ করছে। টাকি নিয়ে একটু চিন্তার বিষয় আছে। কারণ বেশির ভাগই দেশি নৌকা।'