কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে গরমের তীব্রতা গত কয়েক সপ্তাহে এমন এক স্তরে পৌঁছেছিল, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে কার্যত দুর্বিষহ করে তুলেছিল। সকাল থেকে রাত—প্রখর রোদ, সঙ্গে আর্দ্রতার চাপে অস্বস্তি, ঘামে ভেজা শরীর, বিদ্যুৎচালিত যন্ত্রের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা—সব মিলিয়ে এক ক্লান্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তার মাঝেই আকাশে মাঝেমধ্যে জমাট বাঁধা কালো মেঘ যেন এক ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছিল—“বৃষ্টি আসছে।” কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি বারবার ভেস্তে যাওয়ায় হতাশা আরও বেড়েছিল।