ক্ষমতায় এসেই প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে বাংলার মা-বোনেদের আর্থিক সহায়তার জন্য অন্নপূর্ণা যোজনার ছাড়পত্র দেওয়া হয়। প্রথমে বিজেপি সরকারের ঘোষণা করেছিল যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন তাঁরাই অন্নপূর্ণা যোজনার দাবিদার হবেন। তাদের আর নতুন করে আবেদন করতে হবে না। কিন্তু কিছুদিন পরই তথ্য যাচাই করতে গিয়ে কার্যত চোখ সকপালে ওঠে সরকারি আধিকারিকদের। দেখা যায় তালিকা থাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রাপকদের মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকজন পুরুষের নামও। যাঁরা এতদিন ধরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেয়ে আসছেন। এরপরই সিদ্ধান্ত হয় নতুন পুরনো সবাইকেই নতুন করে আবেদন করতে হবে অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাওয়ার জন্য। কল্যাণীর প্রশাসনিক বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে উল্লেখ করেন মুর্শিদাবাদের রাকিবুল শেখের নাম। যিনি পুরুষ হয়েও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছিলেন। এরকমই আরও একজন ব্যক্তির সন্ধান মিলেছে যাঁর অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকতো। শুক্রবার, ২৯ মে রাতে রঘুনাথগঞ্জ থেকে তারিকুল ইসলাম নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।