এ রাজ্যে ক্ষমতার অলিন্দে থাকলে যে কোনও কিছুই যে বৈধ, তা আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল। শিক্ষাঙ্গনের পবিত্রতা, শিশুদের ভবিষ্যৎ—সব কিছুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে খোদ একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে শাসকদলের যুব সংগঠনের কার্যালয়! শুধু কার্যালয় বানিয়েই ক্ষান্ত হয়নি অভিযুক্তরা, স্কুলের জমিকে কার্যত নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি ভেবে সেখানে গজিয়ে তোলা হয়েছে একাধিক দোকানঘর, যা থেকে প্রতি মাসে আসছে মোটা টাকার ভাড়াও। কিন্তু এই গোটা ঘটনার চেয়েও যা সবচেয়ে বেশি চাঞ্চল্যকর এবং নজিরবিহীন, তা হলো এই অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে এখন খোদ তৃণমূলেরই এক প্রধান জেলাশাসকের দরজায় কড়া নেড়েছেন এবং দাবি তুলেছেন যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের স্টাইলে ‘বুলডোজার থেরাপি’ চালানোর।