Advertisement

US strikes on Iran: ইরানে ফের ভয়ঙ্কর মার্কিন হামলা, টানা ১৩ দিন অভিযান, ঠিক কী পরিস্থিতি?

ইরানে মার্কিন হানা চলছেই। এই নিয়ে ১৩ দিন পরপর আক্রমণের মুখে ইরান। এখন কী অবস্থায় রয়েছে দেশটি?

ইরানে আমেরিকার হামলা (প্রতীকী ছবি)ইরানে আমেরিকার হামলা (প্রতীকী ছবি)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 Jul 2026,
  • अपडेटेड 7:55 AM IST
  • ইরানে মার্কিন হানা চলছেই
  • এই নিয়ে ১৩ দিন পরপর আক্রমণের মুখে ইরান
  • এখন কী অবস্থায় রয়েছে দেশটি?

শুক্রবার ফের ইরানের উপর একাধিক এয়ারস্ট্রাইক করেছে আমেরিকা। এই নিয়ে টানা ১৩ দিন ইরানে হামলা চালাল ওয়াশিংটন। তাতেই খারাপ অবস্থা ইরানের।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট থেকে ইরানের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা শুরু হয়েছে। এই নিয়ে টানা ১৩ রাত অভিযান চলল।

এক্স-এ বিষয়টা নিয়ে সেন্টকম লিখেছে, 'আজ সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট থেকে মার্কিন বাহিনী ইরানের সামরিক ঘাঁটিতে নতুন করে হামলা শুরু করেছে। এটি টানা ১৩তম রাতের অভিযান। এর লক্ষ্য ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস যেভাবে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হুমকি দিচ্ছে, তা কমানো।'

এই নতুন হামলার মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরান ও তাদের মিত্ররা উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার বন্ধু দেশগুলির উপর পাল্টা মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। জর্ডন, বাহরিন এবং কুয়েত জানিয়েছে, ইরান তাদের লক্ষ্য করে অ্যাটাক করছে। কুয়েতের আল-আবদালি সীমান্তেও হামলার অভিযোগ উঠেছে।

এই সংঘাতের জন্য গোটা বিশ্বে তেল নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কারণ, দুই পক্ষই কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। তাতে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মাথায় রাখতে হবে, বর্তমানে মার্কিন বাহিনীর অভিযান শুধু ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে আটকে নেই। আক্রমণ পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে। সেন্টকম জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের সামরিক ক্ষমতা দুর্বল করার জন্য় এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ইরানের সংবাদমাধ্যম বৃহস্পতিবার দাবি করেছে, দেশটির একমাত্র বাণিজ্যিক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে বুশেহর অঞ্চলের সামরিক জায়গায় মার্কিন বাহিনী হামলা চালিয়েছে। গত কয়েক দিন ধরেই ওই এলাকায় একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

শুধু তাই নয়, ইরানের সরকারি সূত্রের দাবি, বৃহস্পতিবার খুজেস্তান প্রদেশের শালামচেহ সীমান্ত চৌকিতে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২ জন নিহত হয়েছেন। অন্তত ১১ জন আহত।

তবে লাগাতার হামলার মধ্যেও ইরান মিসাইল ও ড্রোন হামলার চালিয়ে যাচ্ছে। তেহরান কুয়েত, বাহরিন ও জর্ডনে মার্কিন-ঘনিষ্ঠ সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিকাঠামোর উপর আঘাত হেনেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

Advertisement

সমুদ্রেও প্রভাব
এই সংঘর্ষের প্রভাব এবার সমুদ্রপথেও পড়েছে। ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা বৃহস্পতিবার লোহিত সাগরে সৌদি আরবের দু'টি তেলবাহী জাহাজে হামলার দায় স্বীকার করেছে। 

ওদিকে আবার হরমুজ প্রণালিকাকে ঘিরেও উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। আমেরিকা বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা না চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। অন্যদিকে, ইরান জানিয়েছে, তাদের অসামরিক পরিকাঠামোতে হামলা হলে তারা উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ পরিকাঠামোকে টার্গেট করবে।

আর এই সবের মধ্যেই সারা বিশ্বে ইতিমধ্যেই বাড়তে শুরু করেছে তেলের দাম। যার ফলে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement