
শুক্রবার ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোয় একটি ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাতে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর মিলেছে। মৃতদের মধ্যে দু’জন শীর্ষ সেনা আধিকারিকও রয়েছেন বলে জানিয়েছে কঙ্গোর সেনাবাহিনী। আর এই খবর সামনে আসার পরই সারাদেশে শোকের ছায়া।
দুর্ঘটনায় নিহত দুই সেনা আধিকারিক হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুতোম্বো কাটালাইয়ে তিয়েন্দে। তিনি সামরিক আদালতের প্রধান ছিলেন। এছাড়া প্রাণ হারিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল বাকুমি লিকুলিয়া। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর অডিটর জেনারেল ছিলেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
কীভাবে ক্র্যাশ করল প্লেন?
বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলেছেন কঙ্গোর সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেঞ্জে। তিনি একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ওই প্রতিনিধি দলের ১২ জন সদস্য এবং বিমানের ক্রু সদস্যরাও দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন।
স্থানীয় আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বিমানটি দক্ষিণ-পশ্চিম কঙ্গোর কিকউইট থেকে রাজধানী কিনশাসার দিকে ফিরছিল। পথে বিমানটিতে প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দেয়। তখনই কেনজে এলাকায় সেটি ভেঙে পড়ে। বিমানে থাকা প্রত্যেকেই দুর্ঘটনায় মারা যান।
তবে দুর্ঘটনার পরিস্থিতি এবং এর কারণ জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন একেঞ্জে।
ওদিকে কঙ্গোর সিভিল এভিয়েশন অথরিটির বোর্ডের চেয়ারম্যান ত্রিফন কিন-কিয়েই মুলুম্বা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ এখনও জানা যায়নি। শুরু হয়েছে তদন্ত।
দেশটির পূর্বাঞ্চলে কঙ্গোর সেনাবাহিনী এখনও একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এই গোষ্ঠীগুলির মধ্যে রুয়ান্ডার সমর্থনপুষ্ট M23-ও রয়েছে। একাধিক বিদ্রোহী হামলার পর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর দখল হয়ে যাওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে ওই সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে।