Advertisement

Iran : USA-ইজরায়েলের হানায় মৃত ১৬৫ ছাত্রীর একসঙ্গে সম্পন্ন শেষকৃত্য, শোকস্তব্ধ ইরান

আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার জেরে ইরান জুড়ে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। এই সংঘাতের জেরে দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের স্কুলে ভয়াবহ হামলায় প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ১৬৫ জন ছাত্রী।

ইরানে ছাত্রীদের শেষকৃত্য় ইরানে ছাত্রীদের শেষকৃত্য়
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ,
  • 03 Mar 2026,
  • अपडेटेड 4:53 PM IST
  • আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার জেরে ইরান জুড়ে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে
  • পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও

আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার জেরে ইরান জুড়ে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। এই সংঘাতের জেরে দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের স্কুলে ভয়াবহ হামলায় প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ১৬৫ জন ছাত্রী। শুক্রবার তাদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। সবার একসঙ্গে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। সেই দৃশ্য গোটা বিশ্বকেকে শোকস্তব্ধ করেছে। 

ইরানের দক্ষিণে হোরমোজগান প্রদেশের মিনাবে ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুল চলাকালীন বিস্ফোরণ ও হামলার ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় স্কুল ভবনের একটি বড় অংশ। আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করে পড়ুয়া ও শিক্ষকরা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল ও জরুরি পরিষেবা কর্মীরা।

দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ। ভারী যন্ত্রপাতি এনে ভাঙা কংক্রিট ও লোহার কাঠামো সরানো হয়। একের পর এক ছোট ছোট দেহ উদ্ধার হতে থাকলে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। শেষ পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার পর মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬৫। নিহতদের অধিকাংশই প্রাথমিক শ্রেণির ছাত্রী বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

শুক্রবার মিনাব শহরে একসঙ্গে এতগুলি ছোট কফিন সারিবদ্ধভাবে রাখা হলে আবেগে ভেঙে পড়েন হাজার হাজার মানুষ। শহরের প্রধান ময়দান ও আশপাশের মসজিদে ভিড় জমায় শোকাহত পরিবার ও সাধারণ নাগরিকরা। একসঙ্গে পড়া হয় নামাজ-এ-জানাজা। তারপর কফিন কাঁধে নিয়ে শোক মিছিলে অংশ নেন মানুষজন। শহরের রাস্তায় তখন শুধুই কান্না শব্দ।

জনাজার দিন মিনাবের বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্বতঃস্ফূর্তভাবে বন্ধ রাখা হয়। বহু মানুষ হাতে কালো ব্যাজ বেঁধে প্রতিবাদ জানান। বিভিন্ন জায়গায় শান্তি মিছিলও বের হয়। মসজিদগুলোতে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। শুধু মিনাব নয়, গোটা ইরান জুড়েই এই ঘটনায় গভীর শোক ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল ভবন আপাতত অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। হামলার কারণ ও দায় নির্ধারণে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement