Advertisement

Hindu Minor Girls Converted: পাকিস্তানে ২ হিন্দু নাবালিকাকে অপহরণ করে ধর্মান্তকরণ, বিয়ে করল মুসলিমরা

'বাবা-মায়ের কাছে যেতে চাই।' পাকিস্তানের সিদ্ধ প্রদেশের আদালতে এভাবেই হাতজোড় করে আকুতি ২ হিন্দু নাবালিকার। তাদের অপহরণ করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে, তারপর বিয়ে দেওয়া হয়েছে ২ মুসলিম ব্যক্তির সঙ্গে।

২ হিন্দু নাবালিকাকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে মুসলিমদের২ হিন্দু নাবালিকাকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে মুসলিমদের
Aajtak Bangla
  • সিন্ধ প্রদেশ, পাকিস্তান,
  • 11 Sep 2026,
  • अपडेटेड 9:57 AM IST
  • ২ হিন্দু নাবালিকাকে অপহরণ করে ধর্মান্তকরণ
  • তারপর বিয়ে দেওয়া হয়েছে ২ মুসলিম ব্যক্তির সঙ্গে
  • হাতজোড় করে বাড়ি ফেরার আর্জি আদালতে

বাবা-মায়ের কাছে যেতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল দুই নাবালিকা হিন্দু বোন। কিন্তু তাদের আর্জি খারিজ করে দিল পাকিস্তানের সিদ্ধ প্রদেশের আদালত। তারপরই আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়ল তারা। পাক সাংবাদিক এবং সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষাকারী একাধিক সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, সীতা এবং রূপী নামে যথাক্রমে ১৩ এবং ১৪ বছরের দুই কিশোরী অপহৃত হয়। তারা কাচ্চি কোলহি জনজাতির হওয়া সত্ত্বেও জোর করে তাদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয় এবং আমজাদ সোলাঙ্গি ও  মনসুর সোলাঙ্গির সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। তাদের হয়ে লড়াই চালাচ্ছে আমেরিকার সিন্ধি অধিকার রক্ষা গ্রুপ, সিন্ধ রেনেসাঁ। 

সিন্ধ প্রদেশের তান্দো আল্লাহার জেলা আদালত নির্দেশ দেয় আপাতত সেফ হাউসে রাখতে হবে ওই দুই বোনকে। তারা দু'জনেই এজলাসে হাতজোড় করে বাবা-মায়ের কাছে ফেরার আকুতি জানায়। পাকিস্তানি সাংবাদিক এবং সমাজকর্মী ভীনগাস একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে ২ জন নাবালিকা হাত জোড় করে আকুতি জানাচ্ছে, 'দয়া করে আমাদের বাড়ি যেতে দিন।'

এই ঘটনার ঠিক একদিন পরই ভীনগাস রিপোর্টে উল্লেখ করেন, আরও পানসি কোহলি নামে আরও এক ১৪ বছরের হিন্দু নাবালিকাকে তান্দো আল্লাহার জেলা থেকে ৯ সেপ্টেম্বর অপহরণ করা হয়েছে। ১০ দিনের মধ্যে সিন্ধ প্রদেশের ৬ হিন্দু নাবালিকাকে অপহরণ করে মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করেন এই পাক সাংবাদিক। 

সমাজকর্মী সোরাথ সিন্ধু এক্স-এ লেখেন, 'মেয়েরা স্পষ্ট ভাষায় বলেছে, আমরা বাড়ি যেতে চাই। অবিলম্বে তাদের সুরক্ষা ও স্বাধীন আইনি সহায়তা করা উচিত।' পাকিস্তানের 'সিন্ধ চাইল্ড ম্যারেজ রিস্ট্রেইন্ট অ্যাক্ট, ২০১৩' অনুযায়ী, ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্যই বিবাহের সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর। আইন অনুযায়ী নাবালিকা বিবাহ আয়োজন বা সহায়তা করা একটি অ-জামিনযোগ্য অপরাধ। 

পাকিস্তানি মানবাধিকার কর্মী আয়েশা গিল এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, 'ওরা শিশু, কোনও কনে বা ধর্মান্তরিত ব্যক্তি নয়।' আন্তর্জাতিক সংস্থা 'অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল' সতর্ক করে জানিয়েছে, পাকিস্তানে শত শত তরুণী হিন্দু নারী এ ধরনের অপহরণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের শিকার হচ্ছেন। 

Advertisement

কোলহি, ভীল ও মেঘওয়ারের মতো প্রান্তিক সম্প্রদায়ের দরিদ্র পরিবারগুলো আইনি ও রাজনৈতিক সহায়তার অভাবে দীর্ঘদিন ধরেই চরম অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তার ঝুঁকিতে দিন কাটাচ্ছে। এই ঘটনার পর সিন্ধের সমাজকর্মী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো মেয়েদের বয়স যাচাই, মানসিক সহায়তা প্রদান এবং কোনওপ্রকার ভয়ভীতি ছাড়া চাইল্ড-সেনসিটিভ পরিবেশে তাদের বক্তব্য পেশের আর্জি জানিয়েছে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement