Advertisement

Indonesia Earthquake: ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, কী পরিস্থিতি?

ফের শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়ার উপকূল এলাকা। এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৭। যার জেরে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে বলে আপাতত খবর।

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 15 Aug 2026,
  • अपडेटेड 10:50 AM IST
  • ফের শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়ার উপকূল এলাকা
  • এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৭
  • পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে বলে আপাতত খবর

শনিবার ভোরে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়ার উপকূল এলাকা। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.৭। এই ভূমিকম্পের জেরে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর মিলেছে। 

আর এই ভূমিকম্পের পর একাধিক আফটারশক অনুভূত হয়। ইন্দোনেশিয়ার সংস্থা বিএমকেজি এবং এক জরুরি পরিষেবা আধিকারিক জানিয়েছেন, এই ভূমিকম্পের পর প্রথমে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। তবে সুনামি অ্যালার্ট বন্ধ হলেও উপকূল এলাকায় এক মিটারের (প্রায় ৩ ফুট) কম উচ্চতার সুনামির ঢেউও দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

বিএমকেজি জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় ভোর ৪টে ৫৮ মিনিটে (জিএমটি অনুযায়ী রাত ৯টা ৫৮ মিনিট) অনুভূত হয়। এর গভীরতা ছিল ১৫ কিলোমিটার। আর মূল ভূমিকম্পের পর একাধিক আফটারশক অনুভূত হয়।

এই ভূমিকম্পের জেরে প্রবল কম্পন অনুভূত হয়। যার জন্য প্রাথমিকভাবে সুনামি সতর্কতা জারি করেছিল বিএমকেজি। তবে কয়েক ঘণ্টা পর সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

বর্তমানে কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। ভূমিকম্প ও পরবর্তী আফটারশকের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কী ধরনের প্রভাব পড়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থার মুখপাত্র দোদি ইউলিওভা জানান, নাজেওকেও এবং বিমা-র মতো এলাকায় প্রায় এক মিনিট ধরে প্রবল কম্পন অনুভূত হয়।

আর এই ভূমিকম্পে বিরাট ক্ষয়ক্ষতির হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। সেই মতো বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।

মাথায় রাখতে হবে, ইন্দোনেশিয়া ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এর উপর অবস্থিত। এটি পৃথিবীর অন্যতম সক্রিয় ভূকম্পনপ্রবণ এলাকা। এখানে পৃথিবীর বিভিন্ন টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ হয়। যেই কারণে এই অঞ্চলে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। সেই সঙ্গে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।

ইতিমধ্যে একটি ভিডিও যাচাই করেছে রয়টার্স। ফেসবুকে প্রকাশিত সেই ভিডিওটি পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপের সিক্কা রিজেন্সির প্রধান শহর মাউমেরে বন্দরের। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বিল্ডিংয়ের বেশ কিছুটা অংশ ভেঙে পড়ছে। উড়ছে ধুলো। সেই সময় আতঙ্কিত মানুষজন চিৎকার করতে করতে রাস্তায় ছুটে বেরিয়ে আসছেন।

Advertisement

ও দিকে আবার, ইস্ট নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্ডে জেলার একটি হাসপাতাল থেকেও রোগীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কম্পাস টিভি সম্প্রচারিত ফুটেজে হাসপাতাল থেকে রোগীদের বের করে আনার দৃশ্য দেখা গিয়েছে।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement