Advertisement

US Tariffs On India: হঠাৎ ভারতের উপর ১০% ট্যারিফ চাপিয়ে দিলেন ট্রাম্প, কেন?

ফের ভারতের উপর ১০ শতাংশ শুল্ক চাপাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, শনিবার সকালে এই ট্যারিপ লাগু হবে। ঠিক কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রাম্প?

ভারতের উপর ট্য়ারিফ বসালেন ট্রাম্পভারতের উপর ট্য়ারিফ বসালেন ট্রাম্প
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 Jul 2026,
  • अपडेटेड 8:30 AM IST
  • ফের ভারতের উপর ১০ শতাংশ শুল্ক চাপাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • ভারতীয় সময় অনুযায়ী, শনিবার সকালে এই ট্যারিপ লাগু হবে
  • ঠিক কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রাম্প?

এবার ফোর্সড লেবার বা জোর করে কাজ করিয়ে তৈরি করা পণ্যের উপর শুল্ক (ট্যারিফ) বসাতে চলেছে আমেরিকা। ভারত সহ ৬০টি দেশের পণ্যের উপর নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক (ট্যারিফ) চলেছে। শুক্রবার থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে (ভারতীয় সময়ে শনিবার)। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এই দেশগুলি জোর করে কাজ করিয়ে পণ্য তৈরি করে। আর সেই সব পণ্যের আমদানি রুখতে যথেষ্ট কড়া পদক্ষেপ এতদিন নেওয়া হয়নি। 


ভারতীয় সময় অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৯টা ৩১ মিনিট থেকে নতুন ট্যারিফ কার্যকর হবে। এর ফলে এতদিনের অস্থায়ী ১০ শতাংশ ট্যারিফের পরিবর্তে নতুন নিয়ম চালু হবে। আর তাতে ধাক্কা খেতে পারে ভারতের বাণিজ্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

কোন কোন দেশ রয়েছে এই তালিকায়? 
সবথেকে খারাপ খবর হল, এই তালিকায় রয়েছে ভারতের নাম। পাশাপাশি আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, ব্রিটেন, কানাডা, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা সহ মোট ১৮টি দেশ। এই দেশগুলির পণ্যের উপর ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে।

অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান এবং সুইৎজারল্যান্ডের ক্ষেত্রে মোট শুল্কের হার হবে ১০ বা ১২.৫ শতাংশ। আর চিন-সহ বাকি ৩৮টি দেশের উপর ১২.৫ শতাংশ শুল্ক নেওয়া হবে।

মাথায় রাখতে হবে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের আগের ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ বাতিল করে দেয়। সেই ট্যারিফের হার ছিল ১০ থেকে ৫০ শতাংশ। আর সেই ধাক্কা কাটিয়ে আবার নতুন আইনের ভিত্তিতে শুল্ক আরোপ করল ট্রাম্প প্রশাসন।

নতুন এই শুল্ক ট্রেড অ্যাক্ট, ১৯৭৪-এর সেকশন ৩০১ অনুযায়ী আরোপ করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, এই শুল্ক নেওয়ার সিদ্ধান্ত আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত টিকে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

মার্কিন ট্রেড রিপ্রেজেন্টিটিভ জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, 'প্রায় ১০০ বছর ধরে আমেরিকায় জোর করে কাজ করিয়ে তৈরি হওয়া পণ্যের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আমরা তা কঠোরভাবে মেনে চলি। এবার আমাদের বাণিজ্য সঙ্গীদের ক্ষেত্রেও একইভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার সময় এসেছে।' তিনি আরও জানান, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মানবাধিকার রক্ষা করা যাবে। 

Advertisement


যদিও সব পণ্যের উপর এই শুল্ক লাগবে না। তেল ও গ্যাস, সার, কিছু খাদ্যপণ্য এবং জাতীয় নিরাপত্তাজনিত কারণে আগে থেকেই শুল্কের আওতায় থাকা ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, তামা ও গাড়ির মতো পণ্য এই নতুন নিয়মের বাইরে রাখা হয়েছে। 

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, যেসব দেশের সঙ্গে আগে থেকেই বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই নতুন শুল্ক নির্দিষ্ট নিয়মেই আরোপ করা হবে।

তবে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তের সমালোচনাও শুরু হয়েছে। নরওয়ে জানিয়েছে, তারা আগেই জোর করে কাজ করিয়ে পণ্য তৈরির বিরুদ্ধে কঠোর নিয়ম চালু করেছে। তাই এই শুল্কের কোনও যুক্তি নেই। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিলও এই পদক্ষেপকে অযৌক্তিক বলে দাবি করেছে। তারা এই ট্যারিফ প্রত্যাহারের আবেদন জানাবে বলে জানিয়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement