Advertisement

Bangladeshi Arrested: পুরুষদের সমকামী সাজিয়ে ব্রিটেনে শরণার্থী ঢোকাচ্ছিল, বাংলাদেশি ট্রান্সজেন্ডারের কীর্তি VIRAL

বাংলাদেশি পুরুষদের ভুয়ো সমকামী সাজিয়ে আশ্রয় পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল আর এক বাংলাদেশি ট্রান্স মহিলার বিরুদ্ধে। ঘটনায় তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সাধারণ পুরুষদের সমকামী সাজিয়ে ব্রিটেনে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগসাধারণ পুরুষদের সমকামী সাজিয়ে ব্রিটেনে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ
Aajtak Bangla
  • লন্ডন,
  • 12 Oct 2026,
  • अपडेटेड 9:45 AM IST
  • অবৈধ ভাবে বাংলাদেশিদের ব্রিটেনে আশ্রয় পেতে সাহায্য করার অভিযোগ।
  • লন্ডনে গ্রেফতার এক বাংলাদেশি রূপান্তরকামী মহিলা।
  • তল্লাশি চালিয়ে মোবাইল ফোন, গয়না এবং কয়েক হাজার পাউন্ড নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত।

অবৈধ ভাবে বাংলাদেশিদের ব্রিটেনে আশ্রয় পেতে সাহায্য করার অভিযোগে লন্ডনে গ্রেফতার এক বাংলাদেশি রূপান্তরকামী মহিলা। যৌনতার কারণে নির্যাতনের শিকার হওয়ার দাবি করে ব্রিটেনে আশ্রয় পেয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, অন্য আশ্রয়প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের দাবি করে ব্রিটেনে থাকার সুযোগ পেতে সাহায্য করার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

‘ডেইলি মেল’-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, সাজ্জাদ মিয়া (৪২) নামে ওই ট্রান্স মহিলা  ‘আপনজন’ নামে একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। সংগঠনটি বাংলাদেশ থেকে আসা এলজিবিটি সম্প্রদায়ের মানুষদের সহায়তা করার দাবি করে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই জালিয়াতি এবং অভিবাসন সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বাড়িতে হোম অফিসের আধিকারিকরা তল্লাশি চালিয়ে মোবাইল ফোন, গয়না এবং কয়েক হাজার পাউন্ড নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছেন বলেও জানা গিয়েছে।

ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র দফতরের অভিযোগ, ওই সংগঠনটি কিছু পুরুষের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ৪,৫০০ পাউন্ড পর্যন্ত অর্থ নিয়ে তাঁদের সমকামী পরিচয়ের দাবির সমর্থনে প্রমাণপত্র তৈরি করে দিত। ওই ব্যক্তিরা নিজেদের দেশে ফিরে গেলে নির্যাতনের শিকার হবেন, এমন দাবি প্রতিষ্ঠা করার জন্য চিঠি, ছবি এবং অন্য নথি তৈরি করে দেওয়া হত বলে অভিযোগ।

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাজ্জাদ

২০১৩ সালে ব্রিটেনে আশ্রয় পেয়েছিলেন সাজ্জাদ মিয়া। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, যৌন নির্যাতনের কারণে যাঁরা সত্যিই সমস্যায় পড়ছেন, তাঁদেরই সাহায্য করে আপনজন।

১০০-জনেরও বেশি জনকে শেল্টার পেতে সাহায্য!

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আপনজনের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র থাকা ১০০-রও বেশি পুরনো ও বর্তমান শেল্টার পেতে আবেদনকারীদের পর্যালোচনা করছে ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র দফতর। সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা আরও এক ব্যক্তিকে জালিয়াতি ও অভিবাসন সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য এক ব্যক্তিকে ব্রিটেনে অবৈধভাবে থাকার সন্দেহে আটক করা হয়।

যদিও গ্রেফতারির পর জামিনে মুক্তও হন সাজ্জাদ। ‘ডেইলি মেল’-কে তিনি বলেন,  “সকালে আমার বাড়ি থেকে আমাকে গ্রেফতার করা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।” তিনি জানান, আশ্রয় পাওয়ার পর নিজের মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া অন্যদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যেই আপনজন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর দাবি, নির্যাতনের শিকার হওয়া বাংলাদেশি এলজিবিটি সম্প্রদায়ের মানুষদের প্রকৃত সহায়তা করে এই সংগঠন। তল্লাশির সময় বাজেয়াপ্ত করা টাকা ও গয়না সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “টাকাটা বাড়ি ভাড়া দেওয়ার জন্য ছিল, আর গয়নাগুলি আমার বোনের।”
 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement