Advertisement

China Radar: ভারতের মিসাইল পরীক্ষায় ঘুম উড়ল চিনের! মায়ানমার সীমান্তে রাডার বসাল বেজিং

China India News: মায়ানমার সীমান্ত লাগোয়া ইউনান প্রদেশে ৫,০০০ কিমি পাল্লার রাডার (LPAR) বসাল চিন। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রাডারের লক্ষ্য একটাই। তা হল ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার উপর নজরদারি চালানো। তার পাশাপাশি বঙ্গোপসাগর এবং ভারত মহাসাগরের বিস্তীর্ণ অংশে উঁকি মারা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রাডারের লক্ষ্য একটাই। তা হল ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার উপর নজরদারি চালানো।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রাডারের লক্ষ্য একটাই। তা হল ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার উপর নজরদারি চালানো।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 05 Jul 2026,
  • अपडेटेड 6:09 PM IST
  • মায়ানমার সীমান্ত লাগোয়া ইউনান প্রদেশে ৫,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি পাল্লার রাডার (LPAR) বসাল চিন।
  • প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রাডারের লক্ষ্য একটাই।
  • ভারতের ডিফেন্স স্ট্র্যাটেজি নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

China India News: মায়ানমার সীমান্ত লাগোয়া ইউনান প্রদেশে ৫,০০০ কিমি পাল্লার রাডার (LPAR) বসাল চিন। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনের লক্ষ্য একটাই। তা হল ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার উপর নজরদারি চালানো। তার পাশাপাশি বঙ্গোপসাগর এবং ভারত মহাসাগরের বিস্তীর্ণ অংশে উঁকি মারা। ফলে ভারতের ডিফেন্স স্ট্র্যাটেজি নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

গত কয়েক বছরে নিজেদের সার্ভেইলেন্স পরিকাঠামো ঢেলে সাজিয়েছে চিন। সেই স্ট্র্যাটেজির অংশ হিসেবেই ইউনান প্রদেশে নতুন এই লং-রেঞ্জ লার্জ ফেসড অ্যারে রাডার (LPAR) ডিপ্লয় করা হয়েছে বলে ধারণা প্রতিরক্ষা মহলের। এই ধরনের রাডার দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ডিটেক্ট করতে পারে। শুধু তা-ই নয়, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পর তার গতিপথ, গতি এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত তথ্যও পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতা রয়েছে এই ব্যবস্থার।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ইউনানে রাডারটির অবস্থান এমন জায়গায়, যেখান থেকে ভারতের পূর্বাঞ্চল, বঙ্গোপসাগর এবং ভারত মহাসাগরের একটি বড় অংশ নজরদারির আওতায় আনা সম্ভব। বিশেষ করে ওড়িশার ড. এপিজে আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে যে সব ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা হয়, সেগুলিও এই রাডারের নজরে আসতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

ভারত নিয়মিত এই পরীক্ষাকেন্দ্র থেকেই অগ্নি-৫, কে-৪-সহ একাধিক অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, কোনও দেশের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তথ্য সংগ্রহ করা গেলে সেই দেশের অস্ত্রব্যবস্থার সক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ভবিষ্যতে সেই তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিরোধমূলক প্রযুক্তি বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও উন্নত করা সম্ভব। সেই কারণেই চিনের নতুন রাডার ব্যবস্থাকে কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

শুধু ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাই নয়, ভারত মহাসাগরের উপর নজরদারির সম্ভাবনাও বাড়িয়েছে এই রাডার। ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ভারত মহাসাগর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি এবং বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক সমুদ্রপথ এই অঞ্চলের মধ্য দিয়েই গিয়েছে। ফলে ওই এলাকায় চিনের নজরদারি ক্ষমতা বৃদ্ধি ভারতের নিরাপত্তা পরিকল্পনার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা।

Advertisement

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ইউনানের আগে চিনের শিনজিয়াং এবং করলা অঞ্চলেও একই ধরনের দূরপাল্লার রাডার ব্যবস্থা রয়েছে। নতুন LPAR চালু হওয়ায় দেশের সামগ্রিক নজরদারি নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

যদিও এই রাডার সক্রিয় হওয়ার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ভারত বা চিন; কোনও দেশের তরফেই অফিসিয়াল বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভবিষ্যতে নজরদারি এড়ানোর প্রযুক্তি (অ্যান্টি-সার্ভিল্যান্স) এবং মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম আরও উন্নত করার বিষয়ে জোর দিতে হতে পারে ভারতকে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement