Advertisement

ইরান-আমেরিকার বৈঠকের হোটেল বিল মেটাতে পারেনি পাকিস্তান? দুনিয়ায় হাসির খোরাক ইসলামাবাদ

ইসলামাবাদে ইরান-আমেরিকা শান্তি বৈঠকের আয়োজন করে ছাতি চওড়া করেছিল পাকিস্তান। যদিও সেই বৈঠক থেকে নিট ফল এসেছিল 'অশ্বডিম্ব'। কিন্তু যুদ্ধ থামাতে পাকিস্তানের এই উদ্যোগকে বিশ্বব্যাপী বড় করে দেখাতে কসুর করেনি ইসলামাবাদ। তবে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন এক কারণে বিশ্বের দরবারে নাক কাটা যাচ্ছে পাকিস্তানের।

ইরান-আমেরিকার বৈঠকের হোটেল বিল মেটাতে পারেনি পাকিস্তান?ইরান-আমেরিকার বৈঠকের হোটেল বিল মেটাতে পারেনি পাকিস্তান?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 15 Apr 2026,
  • अपडेटेड 1:40 PM IST
  • ইরান-আমেরিকা শান্তি বৈঠকের আয়োজন করে ছাতি চওড়া করেছিল পাকিস্তান।
  • যদিও সেই বৈঠক থেকে নিট ফল এসেছিল 'অশ্বডিম্ব'।
  • এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন এক কারণে বিশ্বের দরবারে নাক কাটা যাচ্ছে পাকিস্তানের।

ইসলামাবাদে ইরান-আমেরিকা শান্তি বৈঠকের আয়োজন করে ছাতি চওড়া করেছিল পাকিস্তান। যদিও সেই বৈঠক থেকে নিট ফল এসেছিল 'অশ্বডিম্ব'। কিন্তু যুদ্ধ থামাতে পাকিস্তানের এই উদ্যোগকে বিশ্বব্যাপী বড় করে দেখাতে কসুর করেনি ইসলামাবাদ। তবে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন এক কারণে বিশ্বের দরবারে নাক কাটা যাচ্ছে পাকিস্তানের। যে হোটেলে বসে ইরান ও মার্কিন প্রতিনিধিরা বৈঠক করেছিলেন, অভিযোগ সেই হোটেলের বিলই নাকি মেটাতে পারছে না পাকিস্তান।

আসলে ইরান ও আমেরিকার এই বৈঠক হয়েছিল বিলাসবহুল সেরেনা হোটেলে। দাবি করা হচ্ছে, পাক সরকার এখনও এই হোটেলের বকেয়া বিল পরিশোধ করেনি। যদিও আদৌ এই অভিযোগ সত্যি কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট ধন্দ রয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

পাকিস্তান যারপরনাই চেষ্টা করেছিল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নিজেকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরতে। কিন্তু এবার বিল বিতর্কের জেরে প্রশ্ন উঠছে, এমন বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বাহ্যিক দিক সামলানোর ক্ষমতা কি আদৌ ইসলামাবাদের আছে?

পাকিস্তানের সামনে বড় সুযোগ ছিল

১০ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এই আলোচনাকে একটি বিরল কূটনৈতিক সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু বকেয়া অর্থ চেয়ে হোটেলের মালিককে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে, এমন খবর সামনে আসতেই পাকিস্তানের নাক কাটা গিয়েছে। যদিও এই দাবি বা অভিযোগকে যাচাই করেনি bangla.aajtak.in।

পরে বিষয়টি কিছুটা আরও স্পষ্ট হয়

হোটেল কর্তৃপক্ষ পরে জানায়, আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের মালিকানাধীন সেরেনা হোটেল শান্তি প্রচেষ্টায় অবদান হিসেবে প্রতিনিধিদলকে বিনামূল্যে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। তবে অন্য একাধিক সূত্র আবার জানায়, হোটেল নেটওয়ার্কটি সরাসরি সব খরচ বহন করেছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে তা ভুল। ফলে গোটা বিষয়টি আবার জট পাকিয়ে যায়।

স্বচ্ছতার অভাবে অনলাইন এবং কূটনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনার জন্ম দিয়েছে। “হোটেলের বিল কে পরিশোধ করবে?” — এই প্রশ্ন এখন দ্রুত পাকিস্তানের অর্থনীতির উপরই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। আসলে এমন একটা সময়ে পাকিস্তান এই বিতর্কের মধ্যে পড়েছে যখন পাকিস্তানের অর্থনীতি একেবারে চূড়ান্ত খারাপ অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ফলে 'হোটেল বিল বিতর্ক' অনেকেই বিশ্বাস করে নিচ্ছেন।  

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement