Advertisement

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পাল্টালেই আলোচনায় উঠে আসে এই বেড়াল? কারণটা জানুন

ব্রিটেনে রাজনৈতিক পালাবদল নতুন কিছু নয়। প্রধানমন্ত্রী আসেন, প্রধানমন্ত্রী যান। কিন্তু একজন আছে, যে বছরের পর বছর নিজের পদে অটল। সে রাজনীতিক নয়, কোনও মন্ত্রীও নয়, সে হল ল্যারি, ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের বিখ্যাত বিড়াল। তাই ব্রিটেনে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আলোচনা শুরু হলেই আবার খবরের শিরোনামে উঠে আসে তার নাম। 

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 23 Jun 2026,
  • अपडेटेड 3:05 PM IST
  • ব্রিটেনে রাজনৈতিক পালাবদল নতুন কিছু নয়।
  • প্রধানমন্ত্রী আসেন, প্রধানমন্ত্রী যান।

ব্রিটেনে রাজনৈতিক পালাবদল নতুন কিছু নয়। প্রধানমন্ত্রী আসেন, প্রধানমন্ত্রী যান। কিন্তু একজন আছে, যে বছরের পর বছর নিজের পদে অটল। সে রাজনীতিক নয়, কোনও মন্ত্রীও নয়, সে হল ল্যারি, ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের বিখ্যাত বিড়াল। তাই ব্রিটেনে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আলোচনা শুরু হলেই আবার খবরের শিরোনামে উঠে আসে তার নাম। 

ল্যারি কোনো সাধারণ পোষ্য নয়। ২০১১ সাল থেকে তিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে ‘চিফ মাউসার টু দ্য ক্যাবিনেট অফিস’ বা প্রধান ইঁদুর-নিধনকারীর দায়িত্ব পালন করছে। বেড়ালটির মূল কাজ হল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং আশপাশের সরকারি ভবনগুলিতে ইঁদুরের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণ করা। 

২০১১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের আমলে ডাউনিং স্ট্রিটে ইঁদুরের সমস্যা বেড়ে যাওয়ায় লন্ডনের পশু আশ্রয়কেন্দ্র বাট্টারেসা ডগ অ্যান্ড ক্যাটস হোম থেকে ল্যারিকে দত্তক নেওয়া হয়। শিকার করার দক্ষতা এবং স্বভাবের কারণেই বেড়ালটিকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। 

গত ১৫ বছরে ল্যারি ছজন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে আসতে-যেতে দেখেছে। ডেভিড ক্যামেরন, থেরেসা মে, বরিস জনসন, লিজ ট্রস, ঋষি সৌনক এবং কেইর স্ট্যামার, সকলের আমলেই ডাউনিং স্ট্রিটের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নিলে তিনি সপ্তম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কাজ করবেন।

প্রধানমন্ত্রী বদলের খবর সামনে এলেই সামাজিক মাধ্যমে ল্যারিকে নিয়ে মজার মন্তব্যের বন্যা বয়ে যায়। অনেকেই বলেন, ব্রিটেনের সবচেয়ে স্থায়ী সরকারি কর্মচারী হল এই বিড়াল। কেউ কেউ আবার রসিকতা করে লেখেন, “প্রধানমন্ত্রীরা বদলায়, কিন্তু ল্যারি থেকে যায়।” সম্প্রতি তাঁর একটি পোস্টও ভাইরাল হয়েছিল, যেখানে মজার ছলে বলা হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী থাকুন বা যান, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাকে নিয়মিত খাবার দেওয়া। 

ল্যারির জনপ্রিয়তা এতটাই যে, বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের সফরের সময়ও সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা প্রায়শই তাদের পাশাপাশি এই বিড়ালের দিকেও ঘুরে যায়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটক ও সাংবাদিকদের কাছেও তিনি এক পরিচিত মুখ। 

আসলে ল্যারি এখন শুধু একটি বিড়াল নয়, ব্রিটিশ রাজনৈতিক ব্যবস্থার এক মজার কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ প্রতীক। রাজনৈতিক অস্থিরতা, নির্বাচন এবং নেতৃত্ব পরিবর্তনের মধ্যেও তার উপস্থিতি যেন স্থায়িত্বের এক অনন্য নিদর্শন। তাই ব্রিটেনে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আলোচনা শুরু হলেই আবারও আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের এই ‘চিফ মাউসার’। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement