
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের আবহে আমেরিকার জন্য বড় স্বস্তির খবর। ইরানে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া পাইলটকে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। দাবি করলেন সেই দেশের প্রেসিডেন্ট। জানালেন, সেই পাইলটকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
আমেরিকান এয়ারফোর্সের একটি F-15E Strike Eagle যুদ্ধবিমান ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে ভূপাতিত হয়। সেই থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। সেই সময় বিমানে থাকা দুই পাইলট নিখোঁজ হয়ে যান। প্রথমজনকে দ্রুত উদ্ধার করা গেলেও, অন্য সেনার খোঁজে টানা অভিযান চালতে থাকে আমেরিকার তরফে। ইরানের তরফেও ঘোষণা করা হয়েছিল, কেউ সেই পাইলটকে ধরে দিতে পারলে পুরস্কার দেওয়া হবে।
আমেরিকার আধিকারিকদের দাবি, নিখোঁজ সেনা টানা দু’দিন ইরানি নিরাপত্তা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে আত্মগোপন করে ছিলেন। পরে তাঁর অবস্থান চিহ্নিত করা হলে শুরু হয় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ রেসকিউ অপারেশন। উদ্ধারকারী দলকে গুলির মুখে পড়তে হয় এবং কয়েক ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে।
এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, 'আমরা তাকে খুঁজে পেয়েছি।' তিনি আরও বলেন, 'গত কয়েক ঘণ্টায় মার্কিন সেনা ইতিহাসের অন্যতম সাহসী সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। ওই সেনা একজন সম্মানিত কর্নেল।'
ট্রাম্প জানান, এই অভিযানের সময় টানা ২৪ ঘণ্টা ধরে ওই অফিসারের অবস্থানের উপর নজর রাখা হয় এবং অত্যন্ত সূক্ষ্ম পরিকল্পনার মাধ্যমে তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে বহু যুদ্ধবিমান ও অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এই অভিযানে কোনও মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি।'
তবে কিছু রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এই উদ্ধার অভিযানের সময় ইরানের দেহদশ্ত শহরে সংঘর্ষ ও বিমান হামলার ঘটনা ঘটে। যার জেরে কয়েকজনের মৃত্যু হয়। তবে তারা কোন পক্ষের তা স্পষ্ট নয়।
আল জাজ়িরা-র প্রতিবেদন বলছে, নিখোঁজ হয়ে যাওয়া পাইলট ইরানের মাটিতেই আত্মগোপন করেছিলেন। পাইলটকে উদ্ধারের জন্য বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমানকে অভিযানে নামানো হয়। ইরানের পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন পাইলট।