Advertisement

'যুদ্ধ প্রায় শেষের দিকে,' বললেন ট্রাম্প, দ্বিতীয় মিটিংয়ের আগে বড় বার্তা

ইরান বনাম আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধের দেড় মাস অতিক্রান্ত। এখনও হার মানছে না ইরান। এমন পরিস্থিতিতে ফের একবার 'যুদ্ধ শেষ'হওয়ার দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, 'মিলিটারি অভিযান এখনও শেষ হয়নি।'

মিলিটারি অভিযান নিয়ে মুখ খুললেন ডোনাল্ড ট্রাম্পমিলিটারি অভিযান নিয়ে মুখ খুললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
Aajtak Bangla
  • ওয়াশিংটন,
  • 15 Apr 2026,
  • अपडेटेड 9:49 AM IST
  • ইরান বনাম আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধের দেড় মাস অতিক্রান্ত।
  • ফের একবার 'যুদ্ধ শেষ'হওয়ার দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
  • বেশ কয়েকটি জাহাজ ইরানের জলসীমা থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে।

ইরান বনাম আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধের দেড় মাস অতিক্রান্ত। এখনও হার মানছে না ইরান। এমন পরিস্থিতিতে ফের একবার 'যুদ্ধ শেষ'হওয়ার দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, 'মিলিটারি অভিযান এখনও শেষ হয়নি।'

মধ্যপ্রাচ্যে চলা উত্তেজনার মধ্যেই দ্বিতীয়বার ইরানের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারে আমেরিকা। এরইমধ্যে ফক্স বিজনেস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, "আমার মনে হয় যুদ্ধ প্রায় শেষ। আমি এটাকে প্রায় শেষের কাছাকাছি বলেই দেখছি।"

উল্লেখ্য বিষয় হল, এমন একটি সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন, যখন  ইরানের বন্দরগুলিতে, হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌসেনা অবরোধ শুরু করেছে। ইসলামাবাদে আগের শান্তি বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পরেই এই অবরোধ শুরু করেছে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের এই চালের ফলে গতকাল ইরানের বন্দর থেকে কোনও জাহাজ ছাড়েনি। বেশ কয়েকটি জাহাজ ইরানের জলসীমা থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে।

যুদ্ধ শেষ হচ্ছে বার্তা দিয়েও ট্রাম্প জানান, আমেরিকা এখনও এই যুদ্ধ থামায়নি। তিনি বলেন, “এখন যদি আমরা সরে যাই, তবে ইরানের সেই দেশ পুনর্গঠন করতে ২০ বছর লেগে যাবে। আমরা এখনও শেষ করিনি। দেখা যাক কী হয়। আমার মনে হয় তারা চুক্তি করতে খুবই আগ্রহী।”

মঙ্গলবার ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনা আগামী দু’দিনের মধ্যেই হতে পারে এবং তা ইসলামাবাদেই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। প্রথম দফার আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনও সমাধান না হওয়ায় তা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল। অভিযোগ ছিল তেহরান গণবিধ্বংসী পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে এগোচ্ছে। এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই-সহ একাধিক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি নিহত হন। গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। তবে ইরানও পাল্টা জোরালো আক্রমণ চালিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানে, যা ট্রাম্প নিজেও 'অপ্রত্যাশিত' বলে উল্লেখ করেছিলেন।

Advertisement


 

Read more!
Advertisement
Advertisement