Advertisement

Donald Trump: ইরান উত্তেজনার মাঝেই মাথা নিচু করে যিশু স্মরণ ট্রাম্পের, ছবি Viral

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আবহে হোয়াইট হাউসের একটি ঘটনা নতুন করে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ও ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ওভাল অফিসে চোখ বন্ধ করে মাথা নিচু করে বসে আছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প।-ফাইল ছবিডোনাল্ড ট্রাম্প।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 06 Mar 2026,
  • अपडेटेड 4:56 PM IST
  • আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আবহে হোয়াইট হাউসের একটি ঘটনা নতুন করে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
  • সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ও ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ওভাল অফিসে চোখ বন্ধ করে মাথা নিচু করে বসে আছেন।

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আবহে হোয়াইট হাউসের একটি ঘটনা নতুন করে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ও ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ওভাল অফিসে চোখ বন্ধ করে মাথা নিচু করে বসে আছেন। এবং কয়েকজন খ্রিস্টান যাজক তাঁর কাঁধে হাত রেখে প্রার্থনা করছেন। এই দৃশ্য ঘিরেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে অনুষ্ঠিত ওই প্রার্থনা সভায় উপস্থিতদের বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠান শুরু হতেই ট্রাম্প মাথা নিচু করে চোখ বন্ধ করেন। এরপর উপস্থিত পুরোহিতরা তাঁর কাঁধে হাত রেখে আমেরিকার জন্য 'ঐশ্বরিক নির্দেশনা, শক্তি ও সুরক্ষা' কামনা করে প্রার্থনা করেন। দেশের নিরাপত্তা এবং নেতৃত্বের জন্য ঈশ্বরের আশীর্বাদ চাওয়াই ছিল এই প্রার্থনার মূল উদ্দেশ্য।

যাজকেরা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে একটি 'সঙ্কটময় সময়ের' মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাই এই সময়ে ঈশ্বরের আশীর্বাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের কথায়, 'আমরা প্রার্থনা করি যেন স্বর্গীয় জ্ঞান দেশের নেতাদের হৃদয় ও মনকে আলোকিত করে এবং এই কঠিন সময় অতিক্রম করার শক্তি দেয়।'

প্রার্থনা শেষ হওয়ার পর ট্রাম্প সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, 'এই কঠিন সময়ে আমেরিকার বিশ্বাস এবং মানসিক শক্তির প্রয়োজন।' তিনি আরও বলেন, 'আমেরিকাকে আবার ঈশ্বরের দিকে ফিরে যেতে হবে।' তাঁর সমর্থকদের মতে, এটি একটি প্রতীকী বার্তা, যে দেশের নেতৃত্বকে আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ দ্বারা অনুপ্রাণিত হওয়া উচিত।

এই ঘটনা ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। ওয়াশিংটন অভিযোগ করছে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে তার আগ্রাসী কার্যকলাপ বাড়াচ্ছে। যদিও তেহরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় ভাষা ও ভাবধারাও ক্রমশ সামনে আসছে। অনেক পশ্চিমা বিশেষজ্ঞের মতে, ইরানের রাজনীতিতে ধর্মীয় নেতৃত্ব দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একইসঙ্গে আমেরিকার রাজনীতিতেও মাঝে মাঝে ধর্মীয় উল্লেখসহ বক্তব্য উঠে আসতে দেখা যাচ্ছে।

Advertisement

প্রার্থনা সভার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় মতভেদ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ট্রাম্পের সমর্থকরা বলছেন, অনিশ্চয়তার এই সময়ে আধ্যাত্মিক নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, রাষ্ট্র ও ধর্মের এই ধরনের মিশ্রণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য প্রশ্ন তুলতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত আমেরিকার ইভাঞ্জেলিকাল খ্রিস্টান ভোটারদের উদ্দেশে একটি শক্তিশালী বার্তা দিতে চেয়েছেন, যারা দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর গুরুত্বপূর্ণ সমর্থকগোষ্ঠী।

এর মধ্যেই আরেকটি বিতর্ক সামনে এসেছে। কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মার্কিন সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তা সৈন্যদের বলেছেন যে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ 'ঈশ্বরের পরিকল্পনার অংশ'। ধর্মীয় স্বাধীনতা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা মিলিটারি রিলিজিয়াস ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, এ বিষয়ে তারা শত শত অভিযোগ পেয়েছে।

একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, অভিযোগকারীরা বলেছেন যে কিছু কমান্ডার সৈন্যদের কাছে মন্তব্য করেছিলেন, 'যিশুই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বেছে নিয়েছেন।' মিলিটারি রিলিজিয়াস ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও প্রাক্তন মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্য মাইকী ওয়েইনস্টাইন বলেছেন, 'মধ্যপ্রাচ্যে যখনই ইজরায়েল বা আমেরিকা জড়িত হয়, তখন খ্রিস্টান জাতীয়তাবাদের এই ধরনের বক্তব্য আমরা বারবার শুনতে পাই।'

 

Read more!
Advertisement
Advertisement