Advertisement

Indian Oil Tanker: ওমানে ফের অয়েল ট্যাঙ্কারে হামলা, নিখোঁজ ২ ভারতীয় নাবিক, তল্লাশি অভিযান জারি

Indian Sailor Missing: ফের তৈলবাহী ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলা। এবার ওমান উপকূলে এই হামলার জেরে ১১ জন ভারতীয় নাবিক বিপদে পড়েন। ১১ জনের মধ্যে ৯ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

ওমানে ফের অয়েল ট্যাঙ্কারে হামলাওমানে ফের অয়েল ট্যাঙ্কারে হামলা
Aajtak Bangla
  • মাস্কাট,
  • 12 Oct 2026,
  • अपडेटेड 7:49 AM IST
  • ফের একবার ওমানের উপকূলে হামলার মুখে পড়ল অয়েল ট্য়াঙ্কার।
  • ঘটনায় ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
  • স্থানীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী নিখোঁজ নাবিকদের সন্ধান চালাচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্য শান্ত হওয়ার লক্ষণ নেই। ফের একবার ওমানের উপকূলে হামলার মুখে পড়ল অয়েল ট্য়াঙ্কার। ঘটনায় ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দু'জন নাবিকের এখনও হদিশ পাওয়া যায়নি।

জানা গিয়েছে, এমটি পেট্রো ডলফিন নামের ট্যাঙ্কারটিতে ১১ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। হামলার পর তাঁদের মধ্যে ৯ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হলেও দুজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। স্থানীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী নিখোঁজ নাবিকদের সন্ধান চালাচ্ছে।

কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল  রবিবার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ  এই ঘটনার কথা শেয়ার করেছেন। তিনি জানান, ১১ অক্টোবর সোহর অ্যাঙ্কোরেজের কাছে ওই ট্যাঙ্কারটিকে ড্রোন দিয়ে টার্গেট করা হয়। হামলার পর নিখোঁজ মোট ১১ জন নাবিকের মধ্যেই ৯ জনকেই নিরাপদে উদ্ধার করা গিয়েছে বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তবে বাকি ২ জনের খোঁজে তল্লাশি অভিযান এখনও জারি রয়েছে।

সোনওয়াল জানান, উদ্ধার অভিযানে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করা এবং  নিখোঁজ নাবিকদের খুঁজে বের করতে ভারতীয় আধিকারিকরা  সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। 

হরমুজে জাহাজ হামলার খবরও পাওয়া গিয়েছে

হরমুজ প্রণালী এবং এর পার্শ্ববর্তী জলপথগুলোতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই এই ঘটনাটি ঘটল। এর আগে রবিবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনী একটি ভিডিও শেয়ার করেছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বিশাল তেলবাহী ট্যাঙ্কার ল্যান্ডমাইনের আঘাতে বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যায়।

IRGC-র দাবি, জাহাজটি নেভিগেশন ও পজিশনিং সিস্টেম বন্ধ করে দিয়েছিল এবং একটি নিষিদ্ধ পথ দিয়ে হরমুজ প্রণালী পারাপার করার চেষ্টা করছিল। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ওই সব এলাকায় যে সব জাহাজ নিজেদের নেভিগেশন ও পজিশনিং সিস্টেম বন্ধ করে দেবে, সেগুলোকে শত্রুপক্ষের জাহাজ হিসেবে ধরে নিয়ে হামলা চালানো হতে পারে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement