Advertisement

US EU Greenland Dispute: 'আমেরিকার উপর ৯৩ বিলিয়ন ইউরো শুল্ক বসবে...' ট্রাম্পকে পাল্টা ইউরোপের জোটের

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বারবার নিজের দাবি পেশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মনে করেন, গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষা করার ক্ষমতা নেই ডেনমার্কের। যার ফলে সেখানে শত্রু দেশের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সেটা আমেরিকার জাতীয় সুরক্ষার জন্য ক্ষতিকর। তাই তিনি গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ করতে চান। সেই মতো চুক্তিও করতে চান তিনি। আর যদি কোনও চুক্তি না হয়, সেক্ষেত্রে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড এবং ইউকে-এর উপর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অতিরিক্ত শুল্ক বসাতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। যদিও তাঁর এই ঘোষণার পর বসে নেই ইউরোপিয়ান ইউনিয়নও (ইইউ)। তাঁদের পক্ষ থেকেও আমেরিকার উপর শুল্ক বসানোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। 

আমেরিকার উপর শুল্কআমেরিকার উপর শুল্ক
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 19 Jan 2026,
  • अपडेटेड 7:14 AM IST
  • গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বারবার নিজের দাবি পেশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড এবং ইউকে-এর উপর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অতিরিক্ত শুল্ক বসাতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি
  • এই ঘোষণার পর বসে নেই ইউরোপিয়ান ইউনিয়নও (ইইউ)। তাঁদের পক্ষ থেকেও আমেরিকার উপর শুল্ক বসানোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বারবার নিজের দাবি পেশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মনে করেন, গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষা করার ক্ষমতা নেই ডেনমার্কের। যার ফলে সেখানে শত্রু দেশের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সেটা আমেরিকার জাতীয় সুরক্ষার জন্য ক্ষতিকর। তাই তিনি গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ করতে চান। সেই মতো চুক্তিও করতে চান তিনি। আর যদি কোনও চুক্তি না হয়, সেক্ষেত্রে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড এবং ইউকে-এর উপর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অতিরিক্ত শুল্ক বসাতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। যদিও তাঁর এই ঘোষণার পর বসে নেই ইউরোপিয়ান ইউনিয়নও (ইইউ)। তাঁদের পক্ষ থেকেও আমেরিকার উপর শুল্ক বসানোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। 

কী চলছে?
আসলে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ইউরোপের উপর খাপ্পা ট্রাম্প। তাই তিনি ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউরোপের একাধিক দেশের পণ্যের উপর ১০ শতাংশ শুল্ক নেবেন বলে জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ১ জুন সেই ট্র্যারিফ বেড়ে ২৫ শতাংশ হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন। 

আর এই খবর চাউর হওয়ার পরই সক্রিয় হয়ে উঠেছে ইউরোপের দেশগুলির জোট বা ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। 
ইইউ-এর দূত ইতিমধ্যেই বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলে একটি বৈঠক করছেন। সেখানে ট্রাম্পের ট্যারিফ হুমকি নিয়ে হয়েছে আলোচনা। আর এই বৈঠকে জার্মানি থেকে শুরু করে ফ্রান্স, ট্রাম্পের এই ধরনের আচরণের নিন্দা করেছে বলে খবর। এই ধরনের কাজকে তারা ব্ল্যাকমেল বলে মনে করছে। 

এমতাবস্থায় 'টিট ফর ট্যাট'-এর পক্ষে সওয়াল করেছে ফ্রান্স। যতদূর খবর, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশগুলি মিলে ৯৩ বিলিয়ন ইউরো (১০৭.৭১ বিলিয়ন ডলার) শুল্ক চাপানোর হুমকি দিয়ে রেখেছেন। এমনকী ইউরোপের মার্কেট থেকে মার্কিন সংস্থাগুলিকে বের করে দেওয়ার পক্ষে করা হয়েছে সওয়াল। আর সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়াল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈঠকের আগে এভাবেই ট্রাম্পকে চাপে রাখতে চাইছে তারা।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের দাবি, ট্রাম্প ১ তারিখ শুল্ক লাগু করতে চলেছেন। আর ঠিক তারপর ৬ ফেব্রুয়ারি ইউরোপও নতুন শুল্ক বসাতে চলেছে। এই বিষয়ে ঘোষণার জন্য ২২ জানুয়ারি একটা সামিট করতে চলেছেন তাঁরা। যদিও রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমেরিকারকে কোনও প্রত্যুত্তর দিতে চায় না ইউরোপের দেশগুলি। তাঁর দাবি, কূটনৈতিকভাবেই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে ট্রাম্প যদি ১ ফেব্রুয়ারি শুল্ক বসায়, তাহলে জবাব দেওয়া হবে। 
 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement