Advertisement

লেকটাউনের চেয়েও খারাপ, আর্জেন্টিনায় ৮৫ ফুটের মেসি মূর্তি ঘিরে তুমুল খোরাক, VIRAL

তবে মূর্তির বিশালত্ব যতটা প্রশংসা কুড়িয়েছে, তার নকশা ততটাই সমালোচনার মুখে পড়েছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই অভিযোগ করেছেন, মূর্তির নিচের অংশে প্রয়োজনীয় শৈল্পিক সূক্ষ্মতার অভাব রয়েছে। কারও মতে, এটি মেসির প্রতিকৃতির চেয়ে বরং একটি বিমূর্ত ধাতব স্থাপনার মতো দেখাচ্ছে।

মেসির মূর্তি নিয়ে বিতর্ক।-ফাইল ছবি মেসির মূর্তি নিয়ে বিতর্ক।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 25 Jun 2026,
  • अपडेटेड 5:10 PM IST
  • মাঠে তিনি এখনও জাদুকর।
  • কিন্তু দেশের মাটিতে তাঁকে ঘিরে তৈরি হওয়া এক বিশাল স্মারক এখন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু।

মাঠে তিনি এখনও জাদুকর। কিন্তু দেশের মাটিতে তাঁকে ঘিরে তৈরি হওয়া এক বিশাল স্মারক এখন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসিকে সম্মান জানাতে প্যাটাগোনিয়ার প্রত্যন্ত শহর কুত্রাল কো-তে নির্মিত হয়েছে ৮৫ ফুট উঁচু এক বিশাল মূর্তি। তবে উদ্বোধনের পর থেকেই সেটি নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা, সমালোচনা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ।

প্রায় ৭০ টন ইস্পাত ও লোহা দিয়ে তৈরি এই স্মারকে মেসিকে হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় দেখানো হয়েছে। শহরের বাইরে রুট ২২-এর ধারে দাঁড়িয়ে থাকা এই বিশাল কাঠামো দূর থেকেই নজর কাড়ে। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, এটি আর্জেন্টিনার অন্যতম বৃহৎ ক্রীড়া-স্মারক এবং দেশের ফুটবল ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ তারকাকে সম্মান জানানোর এক অনন্য প্রয়াস।

 

তবে মূর্তির বিশালত্ব যতটা প্রশংসা কুড়িয়েছে, তার নকশা ততটাই সমালোচনার মুখে পড়েছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই অভিযোগ করেছেন, মূর্তির নিচের অংশে প্রয়োজনীয় শৈল্পিক সূক্ষ্মতার অভাব রয়েছে। কারও মতে, এটি মেসির প্রতিকৃতির চেয়ে বরং একটি বিমূর্ত ধাতব স্থাপনার মতো দেখাচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপ ট্রফির অবস্থান নিয়ে। মূর্তির দুই হাঁটুর মাঝামাঝি অংশে ট্রফিটি স্থাপন করায় অনেকের মতে, পুরো কাঠামোর দৃশ্যমান উপস্থাপনা হাস্যকর হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই একাধিক ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। অনেক ভক্ত প্রশ্ন তুলেছেন, এমন নকশা কি সত্যিই বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারের মর্যাদার সঙ্গে মানানসই?

যদিও অনলাইনে সমালোচনার ঝড় বইছে, স্থানীয় বাসিন্দারা কিন্তু এই স্মারক নিয়ে গর্বিত। তাঁদের মতে, এতদিন ডাইনোসরের প্রতিরূপ বা কিছু স্থানীয় স্মৃতিস্তম্ভের জন্য পরিচিত কুত্রাল কো এখন আন্তর্জাতিক পর্যটকদের নজরে এসেছে মূলত এই মূর্তির কারণেই।

মূর্তিটির নির্মাতা ৬১ বছর বয়সী শিল্পী বেরোইসা জানিয়েছেন, একজন আর্জেন্টাইন হিসেবে মেসির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোই ছিল তাঁর মূল উদ্দেশ্য। তিনি মনে করেন, মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন, দেশের এক সাংস্কৃতিক প্রতীকও।

Advertisement

অন্যদিকে, মেসি নিজে মাঠে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে একের পর এক রেকর্ড গড়ে তিনি এখনও প্রমাণ করে চলেছেন, বয়স তাঁর প্রতিভার ধার কমাতে পারেনি। ফলে প্যাটাগোনিয়ার মূর্তি নিয়ে যত বিতর্কই হোক না কেন, ফুটবল বিশ্বের কাছে মেসির আসল পরিচয় এখনও তাঁর অসাধারণ খেলা এবং অবিশ্বাস্য সাফল্য।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement