Advertisement

France Protests: ফ্রান্সে বিক্ষোভ-আন্দোলনে গ্রেফতার ২,৪০০, জখম হাজার পুলিশকর্মী, ক্ষুব্ধ ম্যাক্রোঁ

লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি। সরকারি পরিষেবার বেহাল দশা। প্রতিবাদে পথে নেমেছে ফ্রান্সের একাংশ। ক্রমেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক রূপ নিচ্ছে। দেশের একাধিক শহরে পর পর দু’ রাত ধরে চলেছে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাট। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষও হয়েছে।

আন্দোলনে উত্তাল ফ্রান্স।আন্দোলনে উত্তাল ফ্রান্স।
Aajtak Bangla
  • প্যারিস,
  • 19 Oct 2026,
  • अपडेटेड 7:17 AM IST

France Protests: লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি। সরকারি পরিষেবার বেহাল দশা। প্রতিবাদে পথে নেমেছে ফ্রান্সের একাংশ। ক্রমেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক রূপ নিচ্ছে। দেশের একাধিক শহরে পর পর দু’ রাত ধরে চলেছে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাট। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষও হয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ২,৪০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় ১,০০০ পুলিশকর্মী। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, কোনও যুক্তিতেই এই হিংসাকে সমর্থন করা যায় না।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানিয়েছেন, শনিবার দেশের বিভিন্ন শহরে পাঁচ লক্ষেরও বেশি মানুষ বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের অধিকাংশই শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ জানান। কিন্তু কয়েকটি জায়গায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দোকানে লুটপাট চালানো হয়। পুলিশের গাড়ি এবং সরকারি ভবনেও হামলা হয়।

‘হিংসার কোনও অজুহাত হতে পারে না’
রবিবার টেলিভিশনে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেন ম্যাক্রোঁ। বিক্ষোভের নামে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর কথায়, কোনও কিছুই এই ধরনের আচরণকে সমর্থন করতে পারে না। তবে মূল্যবৃদ্ধি এবং সরকারি পরিষেবা নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের কারণও উড়িয়ে দেননি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। তাঁর বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ ভাবে দাবি জানানো এবং হিংসা ছড়ানোকে এক করে দেখা উচিত নয়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে আপাতত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেননি ম্যাক্রোঁ। তবে প্রয়োজন হলে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দিষ্ট কিছু বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতা দেওয়া হতে পারে। সরকারি ভবন, দোকানপাট এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করাই এর উদ্দেশ্য।

পুড়ল ঐতিহাসিক বিল্ডিং, বিপুল ক্ষতি ব্যবসায়
রবিবারও প্যারিস এবং মার্সেই শহরে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। প্যারিসের প্লাস দ্য লা রিপাবলিক এলাকায় কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। অন্য দিকে, মধ্য ফ্রান্সের লিমোজ শহরে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঐতিহাসিক টাউন হল। ভেঙে পড়েছে তার ঘড়ির মিনার। শহরের মেয়র গিয়োম জেরাঁর অভিযোগ, পরিকল্পনা করেই ওই ভবনে আগুন লাগানো হয়েছে।

Advertisement

হিংসার প্রভাব পড়েছে ব্যবসাতেও। ফ্রান্সের খুচরো বিপণি সংস্থা ক্যারেফোরের প্রধান আলেকজান্দ্র বোমপার জানিয়েছেন, সংস্থার ৫০টি বিপণি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে ২০টিতে লুটপাট চালানো হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি ইউরো বলে অনুমান।

ফ্রান্সের ডানপন্থী নেত্রী মেরিন লে পেন হিংসা বন্ধের আবেদন জানিয়েছেন। বামপন্থী নেতা জঁ-লুক মেলঁশো আবার পড়ুয়াদের দাবির প্রতি সরকারের নজর দেওয়ার কথা বলেছেন। সব মিলিয়ে, মূল্যবৃদ্ধি ও সরকারি পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ সামলানোর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা ফেরানোও এখন ম্যাক্রোঁ সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। 

Read more!
Advertisement
Advertisement