Advertisement

'ইরানের সব পথ বন্ধ, ভিক্ষা চেয়েছিল বলেই যুদ্ধবিরতি', এখন দাবি করছে আমেরিকা

পিট হেগসেথ জানান, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে আমেরিকা একতরফাভাবে জিতেছে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, 'আমেরিকা একাধিক বড় বড় হামলা চালিয়েছে ইরানে।

আমেরিকা-ইরানের যুদ্ধবিরতি আমেরিকা-ইরানের যুদ্ধবিরতি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ,
  • 08 Apr 2026,
  • अपडेटेड 6:41 PM IST
  • যুদ্ধবিরতি হতেই নিজেদের বড় করে দেখানোর চেষ্টা আমেরিকার
  • তাদের দাবি ইরান যুদ্ধ বিরতির জন্য ভিক্ষা চেয়েছিল

যুদ্ধবিরতি হতেই নিজেদের বড় করে দেখানোর চেষ্টা আমেরিকার। তাদের দাবি ইরান যুদ্ধ বিরতির জন্য ভিক্ষা চেয়েছিল। তারপরই রাজি হয়েছিল তারা। বুধবার এই দাবি করেন ট্রাম্পের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তবে এই দাবির পাল্টা হিসেবে ইরানের কোনও মন্তব্য সামনে আসেনি। 

পিট হেগসেথ জানান, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে আমেরিকা একতরফাভাবে জিতেছে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, 'আমেরিকা একাধিক বড় বড় হামলা চালিয়েছে ইরানে। সেই দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তাদের সামরিক ক্ষমতাও দুর্বল হয়েছে।'  তারপরই বলেন, 'অপারেশন এপিক ফিউরি-তে আমেরিকা নির্ণায়ক জয় পেয়েছে। ইরান এই যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ করেছিল।'

ইরানে কতটা মারাত্মক অভিযান চালানো হয়েছিল তারও খতিয়ান দেন পিট হেগসেথ। তিনি জানান, তাঁদের সেনা এক রাতেই ইরানে ৮০০টি হামলা চালায়। যার জেরে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ে। একের পর এক কারখানা মাটিতে মিশে যায়, ধুলিস্যাৎ হয়। 

হেগসেথের আরও দাবি, আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই জখম হয়েছেন। বলেন, 'ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা জখম হয়েছেন।' তবে এর বেশি তথ্য তিনি দেননি। 

এদিকে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতির আলোচনায় নিজেদের প্রধান মধ্যস্থতাকারী বলে দাবি করে এসেছে পাকিস্তান। কিন্তু এখন সেই দাবি নস্যাৎ হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ থামাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেস চিন। যুদ্ধবিরতি চুক্তির পিছনে মূল চালিকাশক্তি ছিল বেইজিং। 

ডোনাল্ড ট্রাম্পও পরোক্ষভাবে চিনের ভূমিকার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। প্রথমদিকে চিন পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মতো মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কাজ করছিল। তবে সেই সময় তেমন কোনও ফল মেলেনি। ট্রাম্পের সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে পুরোদমে নামে শিনজিপিংয়ের দেশ। তখন চিন সরাসরি ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ থামায়। এতে বোঝা যায়, ইরানের উপর সরাসরি প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা চিনেরই বেশি- পাকিস্তানের নয়। 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement