Advertisement

Houthi Attack: রিয়াধ ও দাম্মামের বিমানবন্দরে হামলার দাবি হুথিদের, নিশানায় আরামকোর তেলের ভাণ্ডারও

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের একাধিক জায়গায় হামলার দাবি করেছে। নিশানায় রিয়াধ ও দাম্মামের বিমানবন্দর, তেল সংস্থা সৌদি আরামকোর একটি কেন্দ্র এবং তেল পরিশোধনাগার। তবে এই হামলার দাবির সত্যতা সৌদি কর্তৃপক্ষ আপাতত কনফার্ম করেনি।

হামলার দাবির সত্যতা সৌদি কর্তৃপক্ষ আপাতত কনফার্ম করেনি।হামলার দাবির সত্যতা সৌদি কর্তৃপক্ষ আপাতত কনফার্ম করেনি।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 Oct 2026,
  • अपडेटेड 11:33 PM IST
  • ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের একাধিক জায়গায় হামলার দাবি করেছে।
  • শনিবার তাদের নিশানায় ছিল রিয়াধ ও দাম্মামের বিমানবন্দর, তেল সংস্থা সৌদি আরামকোর একটি কেন্দ্র এবং তেল পরিশোধনাগার।

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের একাধিক জায়গায় হামলার দাবি করেছে। শনিবার তাদের নিশানায় ছিল রিয়াধ ও দাম্মামের বিমানবন্দর, তেল সংস্থা সৌদি আরামকোর একটি কেন্দ্র এবং তেল পরিশোধনাগার। তবে এই হামলার দাবির সত্যতা সৌদি কর্তৃপক্ষ আপাতত কনফার্ম করেনি।

হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছেন, সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন, অপরিশোধিত তেল তোলার পাম্পিং স্টেশন, ইয়ানবুর আরামকো কেন্দ্র এবং রাবিঘ তেল শোধনাগারেও হামলা চালানো হয়েছে। তাঁর দাবি, রিয়াধের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, নাজরান বিমানবন্দর এবং খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটিও হামলার লক্ষ্য ছিল।

দু'টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের দাবি সৌদি জোটের
এর কয়েক ঘণ্টা আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছিল, তাইফ ও ইয়ানবুর দিকে ছোড়া হুথিদের দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। সম্ভাব্য বিপদের কথা জানিয়ে তাইফ, ইয়ানবু, মক্কা ও জেড্ডার বাসিন্দাদের সতর্ক করেছিল সৌদি আরবের নাগরিক সুরক্ষা বিভাগ। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে জানানো হয়।

গত কয়েক দিন ধরেই সৌদি আরবে হামলা ও ড্রোনের হুমকির খবর সামনে এসেছে। বৃহস্পতিবার রিয়াধের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, ইয়ানবুর আরামকো কেন্দ্র এবং দাম্মামের বিমানবন্দরে হামলার দাবি করেছিল হুথিরা। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, দাম্মামে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে অন্য হামলাগুলির বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য দেয়নি তারা।

বিমানবন্দর ও তেল রফতানি নিয়ে উদ্বেগ
চলতি মাসের ১০ তারিখে রিয়াধের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় অন্তত ১২ জনের মৃত্যু এবং ৩০৯ জন আহত হয়েছিলেন বলে জানিয়েছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ। সেই হামলার দায়ও স্বীকার করেছিল হুথিরা।

এই সংঘাতের প্রভাব তেল রফতানিতেও পড়তে পারে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধার কারণে সৌদি আরব লোহিত সাগরের পথ ব্যবহার করছে। কিন্তু লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশপথ বাব এল-মান্দেব প্রণালীর কাছে হুথিদের অবস্থান ওই রুটের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

ইয়েমেনের রাজধানী সানার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে হুথিদের হাতে। অন্য দিকে, সৌদি আরব আন্তর্জাতিক স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারকে সমর্থন করে। ২০২২ সালের রাষ্ট্রসঙ্ঘের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির পরে যে আপেক্ষিক শান্তি ফিরেছিল, নতুন সংঘাতে তা ফের ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement