Advertisement

IMF Fiscal Monitor Report 2026: যুদ্ধের পর কেমন হবে ২০২৯-এর বিশ্ব, ভারতের কী অবস্থা হবে? IMF এর সতর্কবার্তা

IMF Fiscal Monitor Report 2026: পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালেই বিশ্ব ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে জিডিপি-র প্রায় ৯৪ শতাংশ। কিন্তু আমেরিকা বা চিনের মতো বড় অর্থনীতির দেশগুলোর বেলাগাম খরচের জেরে এই গ্রাফ রকেটের গতিতে বাড়ছে। মাত্র চার বছরের ব্যবধানে ঋণের সুদ মেটানোর খরচ জিডিপি-র ২ শতাংশ থেকে লাফিয়ে ৩ শতাংশে পৌঁছেছে।

সংকটের মুখে বিশ্ব?সংকটের মুখে বিশ্ব?
Aajtak Bangla
  • 16 Apr 2026,
  • अपडेटेड 4:02 PM IST

IMF Fiscal Monitor report 2026: কামানের গর্জন নেই, নেই কোনো সরাসরি সীমান্ত সংঘাতের সাইরেন। অথচ গোটা বিশ্ব দাঁড়িয়ে রয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের এক চরম সংকটের মুখে। সৌজন্যে, আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার বা আইএমএফ (IMF)-এর সাম্প্রতিক 'ফিসকাল মনিটর' রিপোর্ট। ওই রিপোর্টে সাফ জানানো হয়েছে, ২০২৯ সালের মধ্যে বিশ্বের মোট ঋণের বোঝা বিশ্ব জিডিপি-র ১০০ শতাংশ ছুঁয়ে ফেলবে। অর্থাৎ সারা পৃথিবী এক বছরে যা আয় করবে, দেনার দায় হবে ঠিক ততটাই!

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালেই বিশ্ব ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে জিডিপি-র প্রায় ৯৪ শতাংশ। কিন্তু আমেরিকা বা চিনের মতো বড় অর্থনীতির দেশগুলোর বেলাগাম খরচের জেরে এই গ্রাফ রকেটের গতিতে বাড়ছে। মাত্র চার বছরের ব্যবধানে ঋণের সুদ মেটানোর খরচ জিডিপি-র ২ শতাংশ থেকে লাফিয়ে ৩ শতাংশে পৌঁছেছে। সাধারণ মানুষের ভাষায় বলতে গেলে, উন্নয়নের চেয়ে এখন 'সুদ' মেটাতেই ঘাম ছুটছে রাষ্ট্রনেতাদের।

আকস্মিক এই বিপর্যয়ের মূলে রয়েছে পশ্চিম এশিয়ার ক্রমাগত অস্থিরতা। যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম আকাশছোঁয়া। আমজনতাকে সেই চড়া দামের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে সরকারগুলিকে বিপুল ভরতুকি দিতে হচ্ছে, যা রাজকোষে টান ফেলছে। পাশাপাশি, চড়া সুদের হারে ঋণ নিতে গিয়ে দেশগুলো এখন 'ঋণের ফাঁদে' বন্দি। ১৯৪৫ সালের সংকটের সঙ্গে এর বড় পার্থক্য হল, তখন কারণ ছিল কেবল বিশ্বযুদ্ধ, আর আজ যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আকাশছোঁয়া ঘাটতি আর মুদ্রাস্ফীতি।

দিল্লি কি তবে নিরাপদ? আইএমএফ-এর রিপোর্ট বলছে, ভারতের অবস্থা প্রতিবেশী বা অনেক শক্তিশালী দেশের তুলনায় ভালো হলেও দুশ্চিন্তা কাটেনি। ভারতের ঋণ-জিডিপি অনুপাত এখন ৮৪ শতাংশের ওপরে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে বা লগ্নি কমলে ভারতও বড়সড় ধাক্কা খেতে পারে। আইএমএফ-এর সাবধানবাণী, শুধু আর্থিক বৃদ্ধির দোহাই দিয়ে এই পাহাড়প্রমাণ ঋণ মেটানো সম্ভব নয়। এখনই রাশ না টানলে ২০২৯ সাল হবে বিশ্ব অর্থনীতির এক 'কালো বছর'।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement