Advertisement

Imran Khan Hospital: জেল থেকে হাসপাতালে ইমরান খান, পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চিকিৎসা, কেমন আছেন?

দীর্ঘদিন ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতির অভিযোগ করে এসেছে পরিবার এবং সমর্থকেরা। আর এমন পরিস্থিতিতেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। যদিও এই কাজটা নিজের ইচ্ছেতে করেনি পাক সরকার। বরং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সংবাদসংস্থা পিটিআই এই খবর জানিয়েছে।

জেল থেকে হাসপাতালে ইমরান খানজেল থেকে হাসপাতালে ইমরান খান
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 Aug 2026,
  • अपडेटेड 6:56 AM IST
  • দীর্ঘদিন ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতির অভিযোগ করে এসেছে পরিবার এবং সমর্থকেরা
  • এমন পরিস্থিতিতেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে
  • এই কাজটা নিজের ইচ্ছেতে করেনি পাক সরকার

অবশেষে জেল থেকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হল পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) পার্টির নেতা ইমরান খানকে। যতদূর খবর, শুক্রবার ভোরে আদিয়ালা জেল থেকে ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও এই কাজটা নিজের ইচ্ছেতে করেনি পাক সরকার। বরং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সংবাদসংস্থা পিটিআই এই খবর জানিয়েছে।

কী জানা যাচ্ছে?
৭৩ বছর বয়স হয়েছে ইমরান খানের। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতির অভিযোগ করে এসেছে পরিবার এবং সমর্থকেরা। আর এমন পরিস্থিতিতেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। যদিও এখন তিনি কেমন রয়েছেন, বিষয়টা নিয়ে মুখ খোলেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

চিকিৎসার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ইমরান খানের শরীরের হাল ভাল নয়, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হোক, এই মর্মে একটি মামলায় মঙ্গলবার পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট কড়া নির্দেশ দেয়। তারা জানায়, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইমরান খানকে শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে। হাসপাতালে থাকবে ইমরানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক। সেই সঙ্গে একটি মেডিক্যাল প্যানেল তাঁকে পরীক্ষা করবে।

আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানি হবে। সেই শুনানি না হওয়া পর্যন্ত ইমরানকে হাসপাতালেই রাখতে হবে। তাঁকে ফের জেলে নিয়ে যাওয়া যাবে না।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ সরকার প্রথমে কার্যকর করতে রাজি হয়। কিন্তু পরে সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনা এবং প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছেই আবেদন জানায়। যদিও তাতে লাভ হয়নি।

আদালতে ইমরান খানের আইনজীবীদের দাবি করেন, জেলে থাকার সময় তাঁর স্বাস্থ্যের আরও অবনতি হয়েছে। তাঁর ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। যদিও পাকিস্তান সরকার এই দাবি মানতে চায়নি। তারা জানিয়েছে, চিকিৎসা সংক্রান্ত রিপোর্টে এমন কোনও পরিস্থিতির প্রমাণ মেলেনি।

চোখের সমস্যায় জর্জরিত ইমরান
জানুয়ারির শেষ দিকে ইমরান খানের ডান চোখে সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন ওক্লুশন (সিআরভিও) ধরা পড়ে। এরপর তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। চিকিৎসার জন্য তাঁকে বেশ কয়েকবার ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এ নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

Advertisement

তাঁর পরিবার এবং পিটিআই নেতারা বারবার তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু সরকার সেই দাবি শোনেনি। যার ফলে পরিস্থিতি আরও বিগড়ে যায়। 

মাথায় রাখতে হবে, পাকিস্তানের বিখ্যাত প্রাক্তন ক্রিকেটার ইমরান খান ২০২৩ সালের অগাস্ট মাস থেকে জেলে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। যদিও সেই সব মামলাগুলি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন তিনি। তবে পাকিস্তান সরকার সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এমন পরিস্থিতিতে খুশি তাঁর দল পিটিআই। দলের মুখপাত্র জুলফিকার বুখারি বুধবার রয়টার্সকে জানান, সুপ্রিম কোর্টের রায় তাঁদের কাছে আশার নতুন আলো। তবে তিনি জানান, আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে মিছিলের পরিকল্পনা থেকে দল সরে আসছে না বলেও সরাসরি জানিয়ে দেন তিনি। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement