
সোমবার ভোরে ফের একবার অশান্ত হয়ে উঠল মধ্যপ্রাচ্য। এদিন ভোরে আচমকা কুয়েতের উপর হামলা চালাল ইরান। জানা গিয়েছে, মিসাইল ও ড্রোনের মাধ্যমে ঝাঁকে ঝাঁকে হামলা চালানো হয়। যার ফলে কুয়েতের একাধিক জায়গায় যুদ্ধের সাইরেন বেজে ওঠে। আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি শুরু করেন স্থানীয়রা। একটি সূত্র দাবি করেছে, মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
কুয়েত নিউজ এজেন্সি (কুনা)-এর তরফে একটি রিপোর্টে জানানো হয়েছে, হামলার সময় দেশজুড়ে সাইরেন বাজছিল। শত্রুপক্ষের মিসাইল ও ড্রোন ঠেকাতে কুয়েতি সেনা আকাশ ডিফেন্স সিস্টেম সক্রিয় করে।
এদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) আবার আগের দিনে ইরানের উপর সামরিক হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে । সেন্টকমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কর্মকাণ্ডের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র আত্মরক্ষার্থে এই হামলা চালিয়েছে। সেন্টকমের দাবি, মার্কিন বাহিনী ইরানের দুটি ড্রোন ধ্বংস করেছে। এগুলো আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের জন্য হুমকি হয়ে উঠছিল।
এর আগে গতকাল, রবিবার ইরানের IRGC একটি বিবৃতিতে দাবি করে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ–১ ড্রোন ধ্বংস করেছে। ইরানি সেনার তরফে দাবি করা হয়, শত্রুতামূলক অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যে মার্কিন ড্রোনটি ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল। ড্রোনটিকে দ্রুত শনাক্ত করা হয়। আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ড্রোনটিকে ভূপাতিত করা হয়।
আমেরিকা ইরানের কোথায় কোথায় হামলা চালায়?
সেন্টকমের তরফে বার্তায় বলা হয়েছে, শনিবার ও রবিবার এই হামলাগুলো চালানো হয়। এই হামলার সময় মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ও দুটি একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন ধ্বংস করে। ইরানের গোরুক অঞ্চল এবং কেশম দ্বীপে অবস্থিত রাডার ও ড্রোন কমান্ড এবং কন্ট্রোল কেন্দ্রগুলোকে টার্গেট করা হয়েছিল।