Advertisement

খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানের গদিতে বসবে কে? উঠে আসছে এই ২ নাম

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে। শনিবার ইরানে এয়ার স্ট্রাইক করেছিল ইজরায়েল ও আমেরিকা। পাল্টা তার প্রত্যুত্তর দিচ্ছে ইরানও। মধ্য এশিয়া জুড়ে একাধিক দেশের মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে মিসাইল দেগেছে ইরান।

খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানের গদিতে বসবে কে?খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানের গদিতে বসবে কে?
Aajtak Bangla
  • ইরান,
  • 01 Mar 2026,
  • अपडेटेड 8:46 AM IST
  • শনিবার ইরানে এয়ার স্ট্রাইক করেছিল ইজরায়েল ও আমেরিকা।
  • যৌথ হানায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই।
  • খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানে ক্ষমতায় কে আসতে চলেছেন?

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে। শনিবার ইরানে এয়ার স্ট্রাইক করেছিল ইজরায়েল ও আমেরিকা। পাল্টা তার প্রত্যুত্তর দিচ্ছে ইরানও। মধ্য এশিয়া জুড়ে একাধিক দেশের মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে মিসাইল দেগেছে ইরান। এরইমধ্যে সামনে আসে ইজরায়েল-আমেরিকার যৌথ হানায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের। ইতিমধ্যেই তেহরানের পক্ষ থেকে সেই মৃত্যুর খবরে নিশ্চিতও করা হয়েছে। এরপরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানে ক্ষমতায় কে আসতে চলেছেন?

জানা গিয়েছে, ইরান খুব শীঘ্রই তাদের নতুন সর্বোচ্চ নেতার নাম ঘোষণা করতে চলেছে। ইরানের সংবিধানের "উইলায়াত-ই-ফকিহ" নীতি অনুসারে, সর্বোচ্চ নেতার পদে শুধুমাত্র একজন বিশিষ্ট ধর্মীয় পণ্ডিত (ধর্মগুরু) অধিষ্ঠিত হতে পারেন। তবে, খামেনেই তাঁর জীবদ্দশায় কোনও উত্তরসূরি মনোনীত করেননি।

এমতাবস্থায় খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পদের জন্য দুটি নাম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে আসছে। প্রথম জন হলেন খামেনেইয়ের ছেলে মোজতবা খামেনেই এবং দ্বিতীয় নাম হল ইরানের প্রতিষ্ঠাতা, সৈয়দ রুহুল্লাহ মুসাবী খোমেইনির নাতি হাসান খোমেনি।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের তরফে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তিই বর্তমানে ইরানে ক্ষমতায় বসুক না কেন, তাঁকে কার্যত অগ্নিপরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। কারণ, ইরান বর্তমানে বারুদের গোলা হয়ে রয়েছে। খামেনেইয়ের মৃত্যু তাতে অগ্নিসংযোগও করেছে। পাশাপাশি, যে নামগুলি উঠে আসছে তাঁদের মধ্যে কেউই খামেনেই সুলভ কর্তৃত্ব দেখাতে পারবেন না। ফলে গোটা বিষয়টা নতুন সর্বোচ্চ নেতার জন্য যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠতে চলেছে। 

ইরানের ক্ষমতা 'বিশেষজ্ঞ পরিষদ'-এর তরফে নির্ধারিত হয়। এই কমিটি ৮৮ জন বিশিষ্ট ধর্মগুরু নিয়ে গঠিত। এরাই আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করে। তবে, পর্দার আড়ালে আসল ক্ষমতা দেশের প্রশাসন পরিচালনাকারী "পাওয়ার ব্রোকার্স"দের হাতে। 


অন্যদিকে, ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ডস কর্পস (IRGC) ইরানের নির্বাচিত সরকারের এখতিয়ারের বাইরে কাজ করে এবং সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার কাছে দায়বদ্ধ। এটি ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শাখা। রয়টার্সের তরফে বলা হয়েছে, শনিবারের হামলায় IRGC কমান্ডার মহম্মদ পাকপুরও নিহত হয়েছেন। এই ঘটনা অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তন করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা এই মুহূর্তে মনে করছেন, IRGC ইরানের ভবিষ্যত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Advertisement

 
Read more!
Advertisement
Advertisement