Advertisement

Benjamin Netanyahu: ইরানের কাছে কি এখনও পরমাণু শক্তি রয়েছে? বড় দাবি ইজরায়েলের PM নেতানিয়াহুর

ইরান যুদ্ধে নেতানিয়াহুর প্রাণ গিয়েছে বলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় সামনে আসছিল নানাবিধ প্রশ্ন। এমন পরিস্থিতিতে বারবার ইজরায়েলের সরকার দাবি করে যে নেতানিয়াহু বেঁচে রয়েছেন। যদিও সেই কথায় কান দেননি অনেকেই। তাই লাইভ সাংবাদিক সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত নেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী।

বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুবেঞ্জামিন নেতানিয়াহু
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 20 Mar 2026,
  • अपडेटेड 6:57 AM IST
  • ইরান যুদ্ধে নেতানিয়াহুর প্রাণ গিয়েছে বলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছিল
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় সামনে আসছিল নানাবিধ প্রশ্ন
  • ইজরায়েলের সরকার দাবি করে যে নেতানিয়াহু বেঁচে রয়েছেন

'ইরানের পরমাণু শক্তি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।' এমনটাই ঘোষণা করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। 

মাথায় রাখতে হবে, ইরান যুদ্ধে নেতানিয়াহুর প্রাণ গিয়েছে বলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় সামনে আসছিল নানাবিধ প্রশ্ন। এমন পরিস্থিতিতে বারবার ইজরায়েলের সরকার দাবি করে যে নেতানিয়াহু বেঁচে রয়েছেন। যদিও সেই কথায় কান দেননি অনেকেই। তাই লাইভ সাংবাদিক সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত নেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। বিদেশি প্রেসকে ডেকে তিনি সরাসরি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি বলেন, 'আমি আগেই জানিয়েছিলাম যে বেঁচে রয়েছি। সুস্থ রয়েছি।'


তিনি আরও দাবি করেন, এই ২০ দিনের যুদ্ধে ইরানের অবস্থা শোচনীয় করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তেহরানের আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণ (এনরিচ) করার ক্ষমতা নেই। পাশাপাশি ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরির ক্ষমতাও শেষ হয়ে গিয়েছে। 

তাঁর কথায়, 'আরা জিতছি। আর ইরান ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।' যদিও হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য যে আরও নতুন বিকল্প প্রয়োজন, সেটাও জানিয়ে দিয়েছেন নেতানিয়াহু। 

তিনি আরও বলেন, 'আমরা ইরানের উপর অল আউট অ্যাটাক করছি। ওদের আর ব্ল্যাকমেল করার ক্ষমতা নেই। ওদের নেতারা ভেঙে পড়েছে। ইরানের কাছে এমন কোনও মিসাইল নেই যার মাধ্যমে ওরা হুমকি দিতে পারে। আমাদের লক্ষ্য হল ইরানের মানুষকে স্বাধীনতার ক্ষমতা দেওয়া।'

ইজরায়েলই কি আমেরিকাকে টেনে যুদ্ধে এনেছে? 
এই প্রসঙ্গের উত্তরে নেতানিয়াহু বলেন, 'আজ, আমাদের খুব কাছের বন্ধু আমেরিকারর সঙ্গে বড় কিছু অর্জন করেছি। আমদের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দারুণ মেলবন্ধন রয়েছে। ট্রাম্প কোনও চাপের সামনে এই সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর তাঁর সিদ্ধান্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আমেরিকাকে এই যুদ্ধে জোর করে ঠেলে দিইনি।'

ও দিকে নেতানিয়াহুর মতো ইরান যুদ্ধ নিয়ে একই মত ট্রাম্পের। তিনি জানিয়ে দেন, তাঁদের অভিযান ঠিক পথে এগচ্ছে। ইরানের সেনার আর তেমন কোনও ক্ষমতা বাকি নেই। 

বাড়ছে তেলের দাম

Advertisement

ইরানের যুদ্ধ ধীরে ধীরে তেল যুদ্ধতে পরিণত হচ্ছে। কারণ, ইতিমধ্যেই কাতার এবং সৌদির তেলের খনিতে হামলা চলেছে। তারপর ইরানের গ্যাসের ফিল্ডে অ্যাটাক করা হয়েছে। যার ফলে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি সঙ্কট বাড়ার আশঙ্কা প্রবল হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম। অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। আর তাতেই বিপদ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement