
তেল দুবাই-আভিভ ফ্লাই দুবাই (FZ1073) ফ্লাইট হাইজ্যাক করে নেওয়া হয়েছে? ওই উড়ান থেকে ২টি এমারজেন্সি কোড পাঠানো হয়েছে। যার মধ্যে একটি সিগন্যাল ইঙ্গিত দিচ্ছে, ফ্লাইটটি হাইজ্যাক হয়ে যাওয়ার। বুধবারের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। জানা গিয়েছে, ফ্লাইটে ১৮০ জন যাত্রী রয়েছেন। যদিও ইজরায়েল এই ফ্লাইট হাইজ্যাকের তত্ত্ব মানতে নারাজ।
ইজরায়েলি মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, দুবাই থেকে ওই ফ্লাইটটি তেল আভিভ যাচ্ছিল। কিন্তু আপাতত সেটির রুট ঘুরিয়ে সৌদি আরবের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইজরায়েল এই সম্ভাব্য হাইজ্যাকের খবর পেয়েই ফাইটার জেট প্রস্তুত করছে। গোটা ঘটনার উপর নজর রাখছে ইজরায়েলি সেনা। তাদের থেকে খবরাখবর নিচ্ছেন ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজের সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠকও করছেন।
ট্রান্সপোর্ডার কোড ৭৫০০-তে পরিবর্তন করার আগেই এমারজেন্সি বার্তা পাঠিয়েছিল দুবাইয়ের ওই উড়ানটি। সেই বিপদবার্তা ইঙ্গিত করে হাইজ্যাকের।
পরবর্তীতে জানা যায়, ওই ফ্লাইট নিরাপদেই সৌদি আরবের তাবুক এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করেছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, কোনও হাইজ্যাকের ঘটনা ঘটেনি। নিরাপদে ফ্লাইট ল্যান্ড করেছে। সমস্ত যাত্রীরা সুরক্ষিতই আছেন। তবে ফ্লাই দুবাই সংস্থাও এমারজেন্সি সঙ্কেত পাঠানোর বিষয়টির নিয়ে কোনও কারণ খোলসা করেনি।
এক ইজরায়েলি আধিকারিক রয়টার্সকে জানিয়েছেন, পাইলটরা নিজেদের মধ্যেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। আর তার জন্যই তাঁরা এমারজেন্সি অ্যালার্ট পাঠিয়েছিলেন। যদিও ফ্লাই দুবাই উড়ান সংস্থা এই নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে। একটি বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, উড়ানটি নিরাপদে ল্যান্ড করেছে। সমস্ত যাত্রী সুরক্ষিত।