Advertisement

PoK Protest: গান্ধীর মতো আন্দোলন শুরু PoK-তে, এ বার বিদ্যুত্‍ বিল, ট্যাক্স বয়কট, বিদ্রোহ কোন পথে?

পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে চলমান ক্ষোভের মধ্যে জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (JAAC) একটি আইন অমান্য আন্দোলনের ঘোষণা করল। একেবারে মহাত্মা গান্ধীর মতো আইন অমান্য আন্দোলনের ডাক দেওয়া হল পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। 

পাক অধিকৃত কাশ্মীকে আইন অমান্য আন্দোলনপাক অধিকৃত কাশ্মীকে আইন অমান্য আন্দোলন
Aajtak Bangla
  • মুজফ্ফরাবাদ,
  • 21 Aug 2026,
  • अपडेटेड 10:39 AM IST
  • ৭০ দিন ধরে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে আছি'
  • কর ও বিদ্যুৎ বিল বন্ধের ডাক
  • ‘বিষয়টি রাজনৈতিক, সমাধানও রাজনৈতিক’

পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) মানুষ দীর্ঘ কয়েক মাস ধরেই শেহবাজ শরিফ সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে আন্দোলন চালাচ্ছেন। ইসলামাবাদও আন্দোলন থামাতে নৃশংস ভাবে হত্যালীলা চালাচ্ছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে।  

পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে চলমান ক্ষোভের মধ্যে জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (JAAC) একটি আইন অমান্য আন্দোলনের ঘোষণা করল। একেবারে মহাত্মা গান্ধীর মতো আইন অমান্য আন্দোলনের ডাক দেওয়া হল পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। 

পালান্দ্রিতে এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে JAAC নেতা সর্দার আমান কাশ্মীরি জনগণকে কর ও বিদ্যুৎ বিল  শোধ না করার জন্য আবেদন জানান। সরকারি দফতর ও স্কুল বর্জনেরও ডাক পড়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পাকিস্তানি প্রশাসন তাদের দাবি শোনার পরিবর্তে বলপ্রয়োগ ও জবরদস্তি করছে। অত্যাচার করছে। সমাবেশে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধেও স্লোগান দেওয়া হয় এবং বিক্ষোভকারীরা ঘোষণা করেন, তারা ‘বুলেটের আইন’ মানবেন না।

'৭০ দিন ধরে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে আছি'

আমান কাশ্মীরি বলেন, সরকার যদি গুলি চালিয়ে জনগণকে দমন করতে চায়, তা হলে বিক্ষোভকারীরা ভয় পাবে না। তাঁর দাবি, ৭০ দিনেরও বেশি সময় ধরে সাধারণ মানুষ নিজেদের জীবনের পরোয়া না করে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীরা সাধারণ ও পরিশ্রমী পরিবারের সন্তান। তাঁদের বাবা-মা কঠোর পরিশ্রম করে তাঁদের বড় করেছেন। তাই গুলি বা ভয় দেখিয়ে তাঁদের আন্দোলন থেকে সরানো যাবে না।

কর ও বিদ্যুৎ বিল বন্ধের ডাক

JAAC-এর ঘোষিত আইন অমান্য আন্দোলনের অংশ হিসেবে জনগণকে কর ও বিদ্যুৎ বিল-সহ সরকারি রাজস্ব প্রদান বন্ধ করার পাশাপাশি সরকারি দফতর ও স্কুল বয়কটের আহ্বান জানানো হয়েছে। এই কর্মসূচিকে পাকিস্তানি প্রশাসনের উপর অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ বাড়ানোর কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিপুল সংখ্যক মানুষ এই আহ্বানে সাড়া দিলে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের প্রশাসনের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।

Advertisement

‘বিষয়টি রাজনৈতিক, সমাধানও রাজনৈতিক’

আমান কাশ্মীরি বলেন, এই বিরোধের সমাধান আলোচনা ও রাজনৈতিক পথেই হওয়া উচিত। তিনি পাকিস্তান সরকারকে বলপ্রয়োগের পরিবর্তে রাজনৈতিক সমাধানের পথে এগোনোর আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, সরকার যদি ‘বুলেট শাসন’ শুরু করে, তাহলেও জনগণ পিছু হটবে না।

Read more!
Advertisement
Advertisement